Saturday, 9 October 2021

4th part of festival issue.





Editorial - 
Poetry reflects life;
passion follows dreams  as a disciple worships purity. The eternal bond of art and life creates divinity. Let's flow in this spontaneous stream.

সম্পাদকীয় -
কবিতা যদি জীবনের খোঁজ হয় তবে কবিতা খুঁজে নেবে আরোও হাজার উপাসক,কবিতার সাথে হৃদয়ের বন্ধন যেন এক উপাসনা । উপাসনা হোক মহামিলনের আত্মার আত্মীয় করে চলায় এগুক জীবন,তবেই কবিতা ঈশ্বর । সকল কবি তবেই মিলনের পুরোহিত ।

ঘোড়সওয়ার - Ghorsowar ~
Editor. Nihar Ranjan Das .

Editorial and coordinator team

 Marlene Pasini ( Mexico )

Gitan Alice lleana ( Romania)

Miroslava Panayotovs 

(Bulgaria )

Gerlinde Staffler (Italy)

Madhu Gangopadhyay, ( India ).

Mala Chakraborty , (India )

Purbasha Mandol ( India )

Smita Gupta Biswas , (India )

Sujata Ghosh Roy . ( India )

Subrata Roychoudhury (India ) 

Monju GhoshChoudhury (India) 

Sujit Baksi ,( India )

Sanjita Das laskar, ( India )

Bilash Ghosh , ( India )

Kakoli Ghosh( moon) ,( India )

Shipon Sohag ( Bangladesh )

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~


কৌস্তুভ ঘোষ চৌধুরী

Madhu Mukhapadhyay
( India )

Alchemy of  Festivites.. 

The sprightly autumn air
The scent of Shuili bear
The sun now glows with a rare radiance
This time around in the Indian subcontinent!
Every atom sings of the onset of festivites
Colors, fragrance, jigles of joys, regalities!
Every corner of the nation adorn an attair new
A girl of sweet sixteen, so full of zeal to view!
The patterns of rangoli at each door steps
Every household  agog with merriment's traces!
Devotion mingled with entertainment
Food, games and visiting friends!
The happiness insides reflects on each face
So profound is Autumn's elysian grace!
Robust celebration before the onset of cold
Hearts lay bare, affection flow, no grudges hold!
Festoons of cheers, ecstacy and fun
All differences bury, the nation becomes one!
Alchemy of exhilaration, a sight to behold
Revelry and conviviality, festive carousel!
©️#madmusings


কুয়াশালীন

ফাল্গুনী ঘোষ

এখনই কি উড়ে যাবে শপিং মলে?
দাঁড়াও, কিছুটা উদ্বাস্তু রোদ এসে লাগুক তোমার ডানায়
কিছুটা প্রহর কাটুক ঝাউ আর ঝিমঝিম বালুকায়।

একটি নৌকা আসে,জেগে আছে ল্যাম্পপোস্ট, তীর অপেক্ষায়
সম্মোহিত এই সফর একটানা রোমান্সের ঘুড়ি উড়ে যায়।

রাতের নোঙর ফেলে গুটিগুটি নিস্তব্ধ চাদরের ভিতর
ঝিমিয়েছে আলো, ঝিঁঝি ডাকে স্নায়ুর গভীরে;
ঘড়ির স্পন্দন মৃদু লয়ে বয়ে চলে নদীর জলের মত
চলাচল হার্টবিট রক্তের স্নেহার্দ্র আবেগ জড়িয়ে ধরে।

তুমি আজ একাএকা জড়িয়ে কুয়াশালীন বিমূর্ত সংলাপে।

                    Gloria Sofia
                       ( Africa )

End faith

I have a dream
I'm not afraid
I have eyes
I have no faith
I have thought
Aimed at a grave

I have present and future
Cast in the past

Help
Time eludes me
In the laughter of ignorance

Living blind by desire
What causes misery
of my poems
My life has an end
And I long for it
If it is to live
without faith

                   ম.ম.রবি ডাকুয়া
     ‌‌                  ( ভারত )

ভেতরে প্রলাপ

কাল রাতে,
তুমি স্বপ্নের মত যেন হাত রেখেছিলে হাতে।
যেন মনে হয়েছিল অনেক বছর পরে যুদ্ধ শেষে ক্ষুব্ধবেশে দু পক্ষের সমঝোতা বৈঠক।
তারপর বারবার তোমার মুখখানা আঁকি
আকাশ-পাতালে শহরের দেয়ালে ক্যনভাসে।
অনেক বছর পর যেন সিন্দাবাদের জাহাজ ভিড়ল
আমার বন্দরে,
রাজা যেমন রাণীর সাথে মিলিত হয় প্রাসাদের অন্দরে।
জানিনা এতটুকু সম্পর্কে
কিভাবে বাঁধে একে অপরকে।
জানিনা একি শুধুই স্বপন,
মাঠহীন কেবলি ফসলের বপন।
কুয়াশার পানে ধূসর পথে চেয়ে থেকে,
চোখের পাপড়িতে কতকাল শিশির জমে,
কত রাত কেটে যায় নির্ঘুমে।
প্রেম-বিরহহীন অনুত্তাপে কত অনুতপ্ত,
কিশোর বেলায় পাওয়া একটি গোলাপ,
ছিড়েখুড়ে খায় আজো ভেতরে বাজো প্রলাপ।

                    Swarup Dutta 
                          ( India )


Contemplation 


Much I have thought 
About my coming on this earth , 
what though I was never born  ! 
Does it really matter ? 
Is it duty of my parents to give 
birth to me without my consent , 
God forbid to be sworn !

Don't they flung me in the litter bin
The polluted earth --- thick and thin !
Can scarcely breathle in fresh air ,
The view of blue sky is simply rare !
The fabrication of man bulldozing
The nature , astoundingly staggering 
Open field  couch grass  humming bees
Meandering river hefty hills roaring seas
Contaminated  by vicious touch 
Robed the nature enough and much !
Hear me crying for place suitable ?
To  live in ,  peaceful and stable ! 
                          পরাগ ভট্টাচার্য্য
 ‌‌‌‌‌                       ( ভারত )

সর্বভূক

বন্ধুর মরদেহটা যখন আগুনের চুল্লির ভেতরে
আর অপেক্ষা করতে পারিনি, 
ফেলে আসা সময়ের অন্ধকার যেন গিলতে আসছিল, 
জীবনের আশা ভরসা সব একাকার, 
একটা সাজানো বাড়ি হঠাৎই ভেঙে পরলো;

আগুনের পিণ্ডটা কেমন চুম্বকের মতো টেনে নিল
এতদিনের যত্নে লালিত শরীরটাকে, 
অসহায়ের মতো তাকিয়ে রইলাম
মনে হচ্ছিল অট্টহাসিতে যেন ফেটে পড়ল
আগুনের কেন এত ক্ষিধে, কেন সর্বভূক ! 

আগুন তবুও কাছের, দূরে কি থাকা যায়? 
আগুন জ্বলত যখন ভিতরে, ভালো ছিল
বাইরের আগুন অন্যরকম, ভয় হয়
জ্বলনের নয়, ভয় হয় হারিয়ে যাবার, হারিয়ে ফেলার
মানতে পারিনা, যখন শুনি কান্নার শব্দ! 

কখনো মনে হয়, ভিজিয়ে দেব যত আগুন
ডুবিয়ে দেব সব আগুন চোখ , 
মুছে দেব যত আগুন জ্বলা ভাষা, 
দেখি মোমবাতির আলোয় ওরা আগুনে হাটছে
প্রতিবাদের ভাষাও কেন আগুন, 
যে সর্বভূক! 

                  Purbasha Mondal
                       ( India )


When the Goddess Dies


Here they sing to Marangburu
Here they pray to Mahishasur
Here they dance with the Kendu leaves
At the Sharul Utsav!

Let the Konda fruits play her flute
And smile
In the light of Motgoda Lamp!

Here they sleep and dream 
Of a morning
As sweet as Khejur Gur!

But the wet eyes of Alpana
Hide her life of toil
In Damodar River!

The empty forest weeps
When the fire of sun bites her body!
The empty forest weeps
When her Tribal children are uprooted!
Let’s see if her woes
Join the Palash trees!

                      মোহাম্মদ ইকবাল 
                         ( লন্ডন )

দৈন্যের পরাক্রম 

ফ্লাইওভারের বাঁক পেরুতেই দেখি বিলবোর্ডে আগুন ঝরানো বিজ্ঞাপনী মডেলের হাসি
রোজকার দৃশ্য। 
বিজ্ঞাপন উপস্থাপনার মুন্সিয়ানায় বিলবোর্ড জুড়ে ছয়লাব তাঁর হাসি ও যৌবনের উদাম উচ্ছ্বাস 
একদা সেও ছিল একজন নারীর প্রতিরুপ 
তাঁর চারপাশ সুবাসিত হতো ভালোবাসার সুঘ্রাণে 
আজ সে কেবলই এক বিজ্ঞাপনী মডেল 
বাস্তবতার রূঢ়তা তাঁকে দেখিছে থাবার নখ 
এখন তাঁর চারপাশময় কাঁচা টাকার গন্ধ 
বিজ্ঞাপনী হাসি নিত্য দিনের মতোই আজকের  সকালটাকেও বিষিয়ে তোলে ছিল
তাঁকে ধরে রাখার অক্ষমতা প্রকাশ্যে ঝরে তাঁর বিদ্রুপের স্মিথ হাসিতে
বাস্তবতা আমার ন'টা-পাঁচটার স্বাধীন সময়কেও শৃঙ্খলিত করে রেখেছে পরাধীনতার কারাগারে 
ইচ্ছের বাহুল্যের পায়ে বেড়ি পরিয়ে দিয়ে সুখে আছে দৈন্যের পরাক্রম
আর আমরা কেবল টেনেই চলেছি অপাংক্তেয় জীবনের ঘানি 
আমাদের ভালোবাসার পাল চুমে বৈরী বিপ্রতিপ হাওয়ার ঝাপটা.......... 

             HarinderCheema
                     ( India )

Happiness is a state of mind

Happiness is a State of mind
At places strange you can find
Where you don't expect it to be
You find it is there in plenty
You can't buy it with riches and money
In fact I have seen sights funny
A poor farmer working in his fields
Happy at what he sows , not worried about the yields
A soldier as to the warfront he goes
Great courage, great joy, great mirth he shows
The poor man's son is delighted to see
The village school where he is going to study
The lovers find happiness in each  other's eyes
The mother finds it in her new born' s first cries
The fisherman is happy to see a net full of catch
People get ecstatic when their country wins a cricket match
On the other side there are people who continue to live under a curse
Even though they possess Gucci  Gowns
and Versace  Shirts.

                        সোমা দে
                       ( ভারত )

শূন্যের গভীরেই পূর্ণতা

আজকাল বড্ড ভয় হয় . . . হারাবার 
সামলে নিয়ে নিজেকে প্রশ্ন করি পেয়েছি কখন ?
তুমি দাঁড়িয়ে থাকো এগিয়ে যেতে যেতেই সন্ধ্যে নেমে আসে , দীপ জ্বালে না কেউ 
ছোঁবার আগেই হারিয়ে যাও , স্তব্ধ হয়ে লুটিয়ে পড়ি রাতের কোলে . .

স্বপ্নে দেখি , অলঙ্কারে সজ্জিতা আমি ছায়াপথ ধরে হেঁটে চলেছি
তোমার ফেলে রাখা বাঁশি সুর তোলে , কাছে ডাকে , নেশার মতো ঘিরে ধরে 
তোমার ছদ্মবেশে শূন্যতা আলিঙ্গন করে লাল আঁচল সুতো ছেঁড়া ঘুড়ি হয়ে উড়ে যায়
আমার সমস্ত কাজল ধুয়ে গিয়ে বিষাদ নদী সৃষ্টি করে ,
যার গহীনে তুমি একটু একটু করে ডুবে যেতে থাকো . . .

                Dessy Tsvetkova 
                       Bulgaria

Wind whispers

about cloudy dunes in sky,
about houses with bright windows,
about squares with happy crowds.
Wind whispers:
life is colours,
smile is the key
to the love in future...

                  অরিজিৎ বাগচী
     ‌‌                ( ভারত )

ব্যাতিক্রম

ব্যাতিক্রমের মতো বেঁচে আছি, 

এখনও ঘন্টার পর ঘন্টা 
হা করে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকি, 
হাতের বিড়ি এখনও হাতেই জ্বলতে জ্বলতে নিভে যায় ।

কি করব বলো  -
 চাঁদ চিঠি ও চরত্র এরা যে চিরকালীন বড্ড অনড়, 

 আমি আজও- 
ভগবানকে পয়সা ছুড়ে কিনি ,
 আলোর দিকে হাসি মুখে তাকাই, 
এখনও মানুষ কে গাছের মতোই ভালোবাসি ।

তুমি বোঝো কিনা জানি না  
আহতরা যে চিরকালীন প্রচন্ড দুর্বোধ্য ।

ওদের স্বপ্ন বলে কিছু হয়না, 
যদি কিছু হয় তা হলো স্বপ্নশোক । 

তবে এই শোক যে এতো প্রিয় হতে পারে তা তুমি এলে  জানতে পারতাম না ।


 দেব কুমার দেব ( ভারত )

                                    
 কৈশোর আঙিনা

এই লেখাটা শুরু করার প্রয়োজন বোধহয় ছিল না। কিন্তু শুরু করলাম অনেকটাই নিজের তাগিদে। বাঙলার বাজার জুড়ে পাবলিশার্স, বইয়ের দাম ঊর্ধ্বগামী কিন্তু মান?
তাই ভেবে দেখলাম নিজের পড়া কিছু শিশু, কিশোর সাহিত্যের বইয়ের কথা জানিয়ে রাখি। যদি কখনও কারো লাগে। যেভাবে মনে পড়ছে সেভাবেই লিখছি। কোনও ধরা বাঁধা গৎ ছাড়া। আমি মানুষটা বেহদ্দ কুঁড়ে, কাজেই লেখা সাজানো গোছানো গেল না। 
বিদ্যাসাগর,রবিঠাকুর, শরৎচন্দ্র মাথায় থাকুন। তাঁদের বইয়ের নাম আর আলাদা করে লিখলাম না। 
সুকুমার রায় সমগ্র - সুকুমার রায় 
টেনিদা সমগ্র - নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় 
সমগ্র কিশোর সাহিত্য  - নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় (টেনিদা সহ)
ফেলুদা সমগ্র, শঙ্কু সমগ্র, গল্প ১০১  - সত্যজিৎ রায় 
ঘনাদা সমগ্র, মামাবাবু সমগ্র - প্রেমেন্দ্র মিত্র
কাকাবাবু সমগ্র- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
মিতিন মাসি সমগ্র - সুচিত্রা ভট্টাচার্য
কিকিরা সমগ্র - বিমল কর
ঋজুদা সমগ্র - বুদ্ধদেব গুহ
কিশোর সাহিত্য সমগ্র ১,২ - মতি নন্দী* (এতে আনন্দমেলার উপন্যাসগুলো পাওয়া যাবে)
প্রায় সবই আনন্দ থেকে প্রকাশিত (*মতি নন্দী - দীপ)। বলা বাহুল্য দামও ভালই।
এরপরের বইগুলি সাধ্যের মধ্যে - (অন্তত আগে তাই ছিল)
ফ্রান্সিস সমগ্র - অনিল ভৌমিক
শিবরাম রচনা সমগ্র (কিশোর)
পিনডিদা সমগ্র - আশুতোষ মুখোপাধ্যায় 
সাধু কালাচাঁদ সমগ্র - শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
ঠাকুরমার ঝুলি - দক্ষিণারঞ্জন মিত্র
উপেন্দ্রকিশোর রচনা সমগ্র
ভূত শিকারী মেজকর্তা এবং... - প্রেমেন্দ্র মিত্র
তারিণীখুড়োর কীর্তিকলাপ - সত্যজিৎ রায়
এছাড়া দশটি কিশোর উপন্যাস সিরিজ, শীর্ষেন্দুর অদ্ভুতুড়ে সিরিজ, পান্ডব গোয়েন্দা সিরিজ (ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়) তো আছেই। অমর চিত্র কথা আর কমিকস ছেড়ে দিলাম। কমিকস নিয়ে লিখলে শেষ করা যাবে না। আর এ বিষয়ে আমার থেকে ওয়াকিবহাল অনেক মানুষ আছেন যাঁরা লিখেছেন বা লিখছেন।
তাই কমিকস বাদ দিলাম।
সমগ্র ছাড়াও কিছু বই যা অমূল্য সম্পদ - 
টুনটুনির বই - উপেন্দ্র কিশোর রায়
আবোল তাবোল - সুকুমার রায়
হযবরল - সুকুমার রায়
বনে জঙ্গলে - যোগীন্দ্রনাথ সরকার
ভোঁদড় বাহাদুর - গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুর
ক্ষীরের পুতুল - অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
নালক - অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজকাহিনী - অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
বুড়ো আংলা - অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ছোটদের সন্দীপন পাঠশালা - তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
সদাশিব - শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
আম আঁটির ভেঁপু - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
চাঁদের পাহাড় - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
মিসমিদের কবচ - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় 
যকের ধন - হেমেন্দ্রকুমার রায়
আবার যখের ধন - হেমেন্দ্রকুমার রায়
পদি পিসির বর্মী বাক্স - লীলা মজুমদার
টং লিং - লীলা মজুমদার
হলদে পাখির পালক - লীলা মজুমদার
মাকু - লীলা মজুমদার
অদ্ভুত যত ভূতের গল্প(দেব সাহিত্য কুটির)
ষষ্ঠীর দলের কান্ডকারখানা - ডাঃ গৌরী দে
মানুষ দুখীরাম ভূত শান্তিরামের গল্প - মণিলাল মুখোপাধ্যায়
চাঁদের রক্ত - দেবাশীষ বন্দ্যোপাধ্যায় 
আকাশের সিঁড়ি - দেবাশীষ বন্দ্যোপাধ্যায়
সিংহের সঙ্গে দৌড় - দেবাশীষ বন্দ্যোপাধ্যায়
সাগর পাহারা - দেবাশীষ বন্দ্যোপাধ্যায়
(দ্য কাফে টেবল প্রকাশিত 'চাঁদের রক্ত ও অন্যান্য' বইতে এগুলি পেয়ে যাবেন)
রাণুর কথামালা - বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
তোড়ায় বাঁধা ঘোড়ার ডিম - সত্যজিৎ রায়
যখন ছোট ছিলাম - সত্যজিৎ রায়
মালশ্রীর পঞ্চতন্ত্র - গৌরী ধর্মপাল
লাল কালো - গিরীন্দ্রশেখর বসু 
হলদে বাড়ির রহস্য - সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
রাজা হওয়ার ঝকমারি - বিমল মিত্র
গজ উকিলের হত্যা রহস্য - আশাপূর্ণা দেবী
সাত বিলিতি হেরে গেল- শেখর বসু
হাসির  হুল্লোড় - অরুণ দে
ডুংগা- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
সত্যি রাজপুত্র- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
পিঁপড়ে পুরাণ - প্রেমেন্দ্র মিত্র
পাতালে পাঁচ বছর - প্রেমেন্দ্র মিত্র
অদৃশ্য জলদস্যু - অনিল ভৌমিক
পোড়োবাড়ীর রহস্য - অনিল ভৌমিক
দেবগিরির দানব - রাজকুমার মৈত্র(রিপ্রিন্ট হয়েছে)
বোমার ভয়ে বার্ম্মা ত্যাগ - মনোরঞ্জন চক্রবর্তী (রিপ্রিন্ট হয়েছে)
পাথরের ফুল - সুধীন্দ্রনাথ রাহা (রিপ্রিন্ট হয়েছে)
মরণের ডাক - সুনির্ম্মল বসু (রিপ্রিন্ট হয়েছে)
কিশোর ফিরে এসেছিল - বিমল কর
নীল মানুষ - সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
ঋষিকুমার - অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
সাদা ঘোড়া - অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
অরুমিতুদের কথা - রেবন্ত গোস্বামী
(আশার কথা : কল্পবিশ্ব থেকে রেবন্ত গোস্বামীর লেখাগুলি নতুন করে পাবলিশ করা হয়েছে।)
দীপকাকু ও ঝিনুক - সুকান্ত গঙ্গোপাধ্যায়
এছাড়াও ৫ কিশোর, কিশোরী নিয়ে শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের শুকতারার উপন্যাসগুলি আছে।
বর্তমানে সময়ের কিছু প্রিয় লেখা-
মায়ংয়ের মন্ত্র - শিশির বিশ্বাস
সোনার পাহাড় - শিশির বিশ্বাস
মৃত্য যখন ডাক দেয় - শিশির বিশ্বাস
পংখিলালের গুহা, তক্ষক, নিবাত কবচ অভিযান, দোর্দোবুরুর বাক্স (বিষবৈদ্য সিরিজ) -  দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
ভুলে যাওয়া গল্পের খোঁজে - প্রতিম দাস
পাখি আর পাখি - প্রতিম দাস
মঙ্গলগ্রহের পাথর - অনির্বান বসু
সমুদ্রগু‌প্তের তরবা‌রি - পু‌ষ্পেন মন্ডল
অনিলিখা সিরিজ - অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র সিরিজ - হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
মারাং গ্রামের পান্থশালা - সৈকত মুখোপাধ্যায়
তিনু তান্ত্রিকের পুঁথি - সৈকত মুখোপাধ্যায়
গ্রহান্তরের গাঁজাখোর - সৈকত মুখোপাধ্যায়
খুঁজি খুঁজি নারি (এই বইগুলি দোকানে দেখতে পেলে সেদিন একটা লটারী কাটবেন) - 
গোবুর নিরুদ্দেশ যাত্রা  - গজেন্দ্রকুমার মিত্র
তুফান দরিয়ার পরাণ মাঝি - শিশিরকুমার মজুমদার
দালাং মিশনের ঘন্টা - শিশিরকুমার মজুমদার
জীবরামের গল্প - হিমানীশ গোস্বামী 
এবংপুরের টিকটিকি - ইন্দ্রনীল চট্টোপাধ্যায়
বাবুই-এর অ্যাডভেঞ্চার - মোহনলাল গঙ্গোপাধ্যায়
অতল জলের অতিকায় - রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য্য
তীরন্দাজ - শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
ময়ূরকন্ঠী বন - সুকুমার দে সরকার
টেনিদার অজলাভ - আশা দেবী
কলাবতী - মতি নন্দী (কলাবতী, কলাবতীদের ডায়েট চার্ট এদুটি সমগ্রে পাবেন না তবে এখন বোধহয় অন্য সঙ্কলনে রিপ্রিন্ট হচ্ছে)
কে - বিমল মিত্র
আজব চিড়িয়াখানা - রতন ভট্টাচার্য
সন্নাসীর থলে - মনোজ বসু
টারজান সমগ্র (প্রেমেন্দ্র মিত্র সম্পাদিত)
দ্য জাঙ্গল বুক (অসীম চট্টোপাধ্যায়)
শার্লক হোমস সমগ্র (অভ্যুদয় প্রকাশ মন্দির) 
কিট্টু লাহিড়ীর তিন কীর্তি - হিমানীশ গোস্বামী (আনন্দ)
বুনোহাঁসের সন্ধানে - হিমানীশ গোস্বামী (আনন্দ)
সুন্দরবনে - তাপস গঙ্গোপাধ্যায় (দেব সাহিত্য কুটীর) 
এগুলো বেশীরভাগই আলাদা পাওয়া যায় না। কোনও সঙ্কলনে থাকলে পেলেও পেতে পারেন।
ছোটবেলার অনেকটা জুড়ে ছিলেন অবন ঠাকুর আর তারপরেই সেই আশৈশব জুড়ে থাকা মানুষটি এলেন - শৈলেন ঘোষ।
বর্তমানে ওঁর অনেক উপন্যাস পারুল থেকে ৪ টি সমগ্রে বেরিয়েছে।  
টুই টুই, মিতুল নামে পুতুলটি, বাজনা, হুপ্পোকে নিয়ে গপ্পো, আমার নাম টায়রা, আজব বাঘের আজগুবি, যাদুর দেশে জগন্নাথ, স্বপ্নের যাদুকরী, টোরা আর বাদশা, খুদে যাযাবর ইসতাসি, আবু আর দস্যু সর্দার, ইতিমিচি সাহেব, ভূতের নাম আক্কুশ, দুঃসাহসী দুই বুড়ো, কালা-জুজু, মানুষবলির জঙ্গলে, বন সবুজের দ্বীপে, পিরামিডের দেশে,গল্পের মিনারে পাখি, সোনালির দিন, সোনাঝরা গল্পের ইনকা, বাগডুম সিং, নতুন দিনের নায়ক, মা এক নির্ভীক সৈনিক এগুলো ছাড়াও আরও বেশ কিছু ছিল যেমন নাচ রে ঘোড়া নাচ, আয় বৃষ্টি রিমঝিম। আনন্দমেলায় ওঁর উপন্যাসে মন কেমন করা ছবি আঁকতেন বিমল দাস মহাশয়। উপন্যাস পেলেও ছবিগুলো আর পাওয়া যায় না এটাই দুঃখ।
কিশোর জ্ঞান বিজ্ঞান নিয়ে ব্যস্ত সমরজিৎ কর একের পর এক দুর্দান্ত লেখা উপহার দিতেন।
সমুদ্রের চোখ - সমরজিৎ কর
সমুদ্রের সম্পদ - সমরজিৎ কর
ভয়ঙ্কর সেই অভিযান - সমরজিৎ কর
শুকতারায় ছাপা হত বেশ কিছু দারুণ উপন্যাস - 
দস্তার আংটি - অলক ঘোষাল
(অসাধারণ ! এখন সানডে সাসপেন্সে শোনা যায়। ইউটিউবে আছে)
কিন্নর কৈলাশ রহস্য - নিরঞ্জন সিংহ
(গল্পটা ভুলে গেছি। দুর্দান্ত ছবি থাকত। বোধহয় নারায়ণ দেবনাথ বাবুর আঁকা)
অষ্টভুজার চোখের মণি - সঙ্কর্ষণ রায়
অষ্টভুজা রহস্য - সঙ্কর্ষণ রায়
অজানার খোঁজে - সঙ্কর্ষণ রায়
নক্ষত্রের দেশে টুটুল - অরুণ দে
শুকতারায় রাধারমন রায়ের গোয়েন্দা গণেশ হালদারের উপন্যাস বের হত। কিছু গল্প নিয়ে বই বের হয়েছিল মাদুলিবাবা, জ্যোতিষী, জঙ্গল রহস্য, জলটুঙ্গী রহস্য ইত্যাদি। এগুলোর মধ্যে অধিকাংশ প্রিন্ট হয় না।
কর্ণেলকে (বুড়ো ঘুঘু, হালদার মশাই ও জয়ন্ত) নিয়ে সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের লেখা অনেক পত্রিকাই বের করত। এগুলো ৪ খন্ডে দে'জ থেকেপাওয়া যায়।
কিশোর কর্ণেল সমগ্র ১.২.৩.৪ 
এছাড়া বেশ ভাল লেগেছিল - 
কাবুল আর টাবুল - প্রফুল্ল রায়
পাগল মামার চার ছেলে - প্রফুল্ল রায়
কায়না - ময়ুখ চৌধুরী
দেবী দর্শন - ময়ুখ চৌধুরী
সংখ্যার নাম চার - ময়ুখ চৌধুরী
বনের খবর - প্রমদারঞ্জন রায় 
বাবুই বাসা বোর্ডিং - স্বপনবুড়ো
আমার মায়ের মুখ - স্বপনবুড়ো
হলুদে-সবুজে - অরুণ আইন
পালি ভাষা থেকে বাংলায় জাতক অনুবাদ করেন ঈশাণচন্দ্র ঘোষ। (ষোলো বছরে ছয় খন্ডে) সেই অনুবাদের থেকে ধর্মতত্ব বাদ দিয়ে সুধাংশুরঞ্জন ঘোষের সম্পাদনার গ্রন্থিক থেকে কিশোর জাতক সমগ্র বেরিয়েছিল।
রেভারেন্ড লালবিহারী দে লিখেছিলেন ফোক টেলস অব বেঙ্গল। বইটির বাংলার উপকথা নামে কিশোর উপযোগী অনুবাদ করেছিলেন মণীন্দ্র দত্ত।
হেমেন্দ্রকুমার রায় আজব দেশে অমলা (লুইস ক্যারলের এলিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড), আয়না বাড়িতে অমলা (লুইস ক্যারলের থ্রু দ্য লুকিং গ্লাস) লিখেছিলেন। সুখের বিষয় এই দুটি উপন্যাস এশিয়া থেকে হেমেন্দ্রকুমার রায় রচনাবলী ৩১ ও ৩২ এ পাওয়া যায়।
শিশুপাঠ্য কিছু বই যা আমার মেয়ের খুব প্রিয়।
তুতু ভুতু - ধীরেন বল
বাঘা ভুতু - ধীরেন বল
চেঙা বেঙার অ্যাডভেঞ্চার - বিমল ঘোষ
হাসিখুশি - যোগীন্দ্রনাথ সরকার
গল্প আর গল্প - সুখলতা রাও
মশগুল - শিবানী রায়চৌধুরী 
হালুম- নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী (সম্ভবত ওঁর শেষ শিশুপাঠ্য বই)
রূপকথার কিছু বইয়ের নাম লেখার লোভ সামলাতে পারলাম না।
আমার দেশের রূপকথা - ধীরেন্দ্রলাল ধর
অপরূপ রূপকথা - বুদ্ধদেব বসু
ভারতের রূপকথা - সৌরীন্দ্রমোহন মুখোপাধ্যায়
চিরকালের রূপকথা - চিত্তরঞ্জন রায়
রূপকথা সমগ্র - নবনীতা দেবসেন
রূপকথার দেশে - যোগেন্দ্রনাথ গুপ্ত
রাজ্যের রূপকথা -সৌরীন্দ্রমোহন মুখোপাধ্যায়
মণিপুরী রূপকথা - রণজিত সিংহ
কানাইয়ের কথা - সত্যজিৎ রায়
অস্কার ওয়াইল্ডের সেরা রূপকথা - বুদ্ধদেব বসু-হায়াৎ মামুদ-অর্ণব রায়
রাশিয়ার রূপকথা - সম্পাদনা আহমাদ মাযহার
রেড ইন্ডিয়ান রূপকথা - আমীরুল ইসলাম
নাই দেশের রূপকথা - আলম তালুকদার
নানান্ দেশের রূপকথা - সুখলতা রাও
সারা পৃথিবীর রূপকথা - দিব্যজ্যোতি মজুমদার
চীনের রূপকথা - খগেন্দ্রনাথ মিত্র
২৫ দেশের রূপকথা লোককাহিনী - সংকলন: ড: মোহাম্মদ হাননান
গ্রিমভাইদের সমগ্র রচনাবলী ১. ২, ৩ - কামাক্ষীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
ভিনদেশী রূপকথা (গ্রিমস ফেয়ারি টেলস্) - স: ধীরেন্দ্রলাল ধর
হ্যান্স এন্ডারসনের সেরা রূপকথা - স: আমীরুল ইসলাম
হ্যান্স অ্যান্ডারসনের গল্প - খগেন্দ্রনাথ মিত্র
হ্যান্স অ্যান্ডারসন রচনাবলী - লীলা মজুমদার
আদিবাসী লোককথা - ১,২ - দিব্যজ্যোতি মজুমদার
অসমের লোককথা - নন্দলাল ভট্টাচার্য
জিপসী লোককথা - নিখিল সেন
চিরকালের উপকথা - শংকর
ছোট রাজকুমার (ল্য প্যতি প্র্যাঁস্) - ফাদার দ্যতিয়েন
হিন্দুস্থানী উপকথা - শান্তা দেবী ও সীতা দেবী
কাশ্মীরী উপকথা - শ্রী শ্যামাচরণ দে
ইরাণী উপকথা - সুরেশ চন্দ্র চক্রবর্ত্তী
সোভিয়েত সাহিত্য নিয়ে লিখতে গেলে লেখা শেষ হবে না।
কয়েকটা নাম দিলাম। 
কাজাখ লোককাহিনী - পূর্ণিমা মিত্র
সোনার পেয়ালা - কায়ুম তাংগ্রিকুলিয়েভ (অনু: ননী ভৌমিক)
মালাকাইটের ঝাঁপি - পাভেল বাঝোভ । ননী ভৌমিক
কোন সে দেশের কোন সাগরের পাড়ে - অরুণ সোম
নাম ছিল তার ইভান - ভ্লাদিমির বগমোলভ / অরুণ সোম
সোনার চাবি কিংবা বুরাতিনোর কান্ডকারখানা - আলেক্সই তলস্তয় / ননী ভৌমিক
পীত দানবের পুরী - মাক্সিম গোর্কি / অরুণ সোম
মণির পাহাড় - সুপ্রিয়া ঘোষ / ননী ভৌমিক
উক্রাইনীয় উপকথা - হীরেন্দ্রনাথ সান্যাল
ইউক্রেনের লোককথা - ননী ভৌমিক
ইতালীর রূপকথা - মাক্সিম গোর্কি / ননী ভৌমিক
রুশদেশের উপকথা - সুপ্রিয়া ঘোষ । ননী ভৌমিক। অন্যান্য
কিশোর জ্ঞান বিজ্ঞান, সন্দেশ, শুকতারা, শুভতারা, আনন্দমেলা, চাঁদমামা, ঝলমল, আশ্চর্য!, কলরব, কিশোর বাংলা, কিশোর বিস্ময়, কিশোর মন, কিশোর ভারতী, কৈশোরক, জ্ঞান ও বিজ্ঞান, খোকা-খুকু, চিলড্রেন্স ডিটেকটিভ, ছোটোদের আসর, পক্ষিরাজ, মৌচাক, মুকুল, শিশুসাথী, সোনামানিক, রামধনু, রোশনাই, রোমাঞ্চ ইত্যাদি পত্রিকা বের হত।
এগুলোতে বের হয়েছিল - 
অমিয়র অ্যাডভেঞ্চার - ধীরেন্দ্রলাল ধর
রাজকুমারের স্বপ্ন - সুধাংশু গুপ্ত
রাজকুমারের পোশাকে - আশাপূর্ণা দেবী
মোক্তারদাদুর কেতুবধ - সমরেশ বসু
কোনি - মতি নন্দী 
অবাক চা পান । পিপীলিকার ভ্রমণ কাহিনী - অন্নদাশঙ্কর রায়  
বিষে বিষক্ষয়  -  আশাপূর্ণা দেবী
পাখি এবার বিক্রমগড়ে - প্রিয়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
আরও অনেক কিছু।
শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের লেখা অদ্ভুতুড়ে সিরিজের বইয়ের নামগুলো দেওয়ার লোভ সামলানো গেল না। 
(উইকিপেডিয়া থেকে প্রকাশ কাল তুলে দিলাম) 
মনোজদের অদ্ভুত বাড়ি - ১৯৭৮
গোঁসাইবাগানের ভূত - ১৯৭৯
হেতমগড়ের গুপ্তধন - ১৯৮১
নৃসিংহ রহস্য - ১৯৮৪
বক্সার রতন - ১৯৮৪
ভুতুড়ে ঘড়ি - ১৯৮৪
গৌরের কবচ - ১৯৮৬
হিরের আংটি - ১৯৮৬
পাগলা সাহেবের কবর - ১৯৮৭
হারানো কাকাতুয়া - ১৯৮৭
ঝিলের ধারে বাড়ি - ১৯৮৮
পটাশগড়ের জঙ্গলে - ১৯৮৯
গোলমাল - ১৯৮৯
বনি - ১৯৯০
চক্রপুরের চক্করে - ১৯৯০
ছায়াময় - ১৯৯২
সোনার মেডেল - ১৯৯৩
নবিগঞ্জের দৈত্য - ১৯৯৪
কুঞ্জপুকুরের কান্ড - ১৯৯৫
অদ্ভুতুড়ে - ১৯৯৬
পাতালঘর - ১৯৯৬
হরিপুরের হরেক কান্ড - ১৯৯৭
দুধসায়রের দ্বীপ - ১৯৯৭
বিপিনবাবুর বিপদ - ১৯৯৮
নবাবগঞ্জের আগন্তুক - ১৯৯৯
ষোলো নম্বর ফটিক ঘোষ - ২০০০
গজাননের কৌটো - ২০০১
ঝিকরগাছায় ঝঞ্ঝাট - ২০০২
রাঘববাবুর বাড়ি - ২০০৩
মোহন রায়ের বাঁশি - ২০০৪
সাধুবাবার লাঠি - ২০০৫
ঘোরপ্যাঁচে প্রাণগোবিন্দ - ২০০৫
ডাকাতের ভাইপো - ২০০৭
অঘোরগঞ্জের ঘোরালো ব্যাপার - ২০০৮
উঁহু - ২০০৯
গোলমেলে লোক - ২০১০
বটুকবুড়োর চশমা - ২০১১
ময়নাগড়ের বৃত্তান্ত - ২০১১
অষ্টপুরের বৃত্তান্ত - ২০১২
মদন তপাদারের বাক্স - ২০১২
সর্বনেশে ভুল অঙ্ক - ২০১৪
ভলু যখন রাজা হল - ২০১৫
হাবু ভুঁইমালির পুতুল - ২০১৬
নন্দীবাড়ির শাঁখ - ২০১৭
জং বাহাদুর সিংহের নাতি - ২০১৭
আসমানির চর - ২০১৮
গড় হেকিমপুরের রাজবাড়ি - ২০১৯
হিরণগড়ের ব্যাপারস্যাপার - ২০২০
আশুবাবুর টেলিস্কোপ - ২০২১
সবকটি আনন্দের বই (ময়নাগড়ের বৃত্তান্ত : পত্র ভারতী) 
(আশুবাবুর টেলিস্কোপ  ২০২১ আনন্দমেলায় প্রকাশিত)
বনি এক স্বাতন্ত্র মেজাজের বই। বাকিদের থেকে কোথাও একটা আলাদা বলেই আমার মনে হয়। 
বরদাচরণকে নিয়ে পরে লিখব। যদিও কোন একফাঁকে মনোজ দের অদ্ভুত বাড়িতে ঢুকে পড়েছেন গোয়েন্দা ভদ্রলোক।
(চলবে...)


               মৌলিক মজুমদার
                      ( ভারত )

অমরত্ব

টুক করে দুআঙুল খুলে দেবো
লেখাটি পালকের মতো নৃত্যভঙ্গিমায়
নামছে নিচে
মাতা গঙ্গে,
মিউনিসিপালিটির নর্দমা নাব্যতা পাচ্ছে।


আমি ফিরে যাচ্ছি কোনো আপশোষ ছাড়াই
ফিরে যাচ্ছি
কলমটি বুকপকেটে আছে ...
কোনো আঁচড় না কেটেই ফিরে যাচ্ছি/
আমার আয়ূধ মিউনিসিপালিটির নর্দমায় শুয়ে আছে।


একদিন শুধু ফেলে দেওয়ার জন্য একটি কবিতা লিখবো।

                       চন্দন পাল
                        ( ভারত )
ঢিল

মারাত্মক একটা ঢিল এসে, 
বড়ো বাড়িটার সব গরিমা, নসাৎ করে দিল ।

উৎসে গিয়ে দেখি, 
এক ক্ষুদে নজরুল, ক্ষুধা নিয়ে অবিচল দাঁড়িয়ে ।
চোখে মুখে তার ভ্রূক্ষেপহীন ভাব ---  

তবে কি সে, সংক্রমণ বাড়ালো যারা 
তাদের প্রতি ক্ষুব্ধ ?

না-কি , অতিমারীর চেয়েও বেশি,
অবহেলার মরণে ক্ষুব্ধ !! 
 
একবিংশ শতাব্দীর বিশেষজ্ঞান  আর 
সমাজবিজ্ঞানে বিরক্ত !! 

না-কি, নোংরা মামলায় জড়িয়ে থাকাদের, 
মানুষ ভোট দেয় বলে ক্ষুব্ধ। 

 'সোনার হরিণ' বার বার চোখে নাচে বলে ক্ষুব্ধ!
 না কি, কেবলমাত্র বাঙালিস্তানে প্রতিহিংসা 
দেখে, আত্ম গ্লানিতে বিরক্ত। 

জানি না ----

আরেকটি মারাত্মক ঢিল পাশেই পড়ে আছে ।
নিসপিস আঙুলে আমি তখন লুব্ধ।

                 সঞ্জীব কুমার ঘোষ
     ‌                   ( ভারত )

নবজন্ম
                 
হাওড়া স্টেশনে দাঁড়িয়ে আছে বর্ধমান মেন লাইনের সাড়ে ছটার লোকাল ট্রেনটা। ছাড়তে আর মাত্র মিনিট পাঁচেক বাকি। পেছনের কামরাটা বেশ থিকথিকে ভিড়।  একজন চল্লিশ পেরোনো চুড়িদার পরা রমণী এসে দাঁড়ালো সুশোভনের বসার চেয়ারের  সামনে। হেমন্তের হালকা শীতের আমেজেও তার গলদঘর্ম অবস্থা। উন্নত বক্ষের উচ্ছ্বলতা স্পষ্টতই পরিস্ফুট।          কলকাতা মেডিকেল কলেজে বাবার হার্ট অপারেশনের ঝক্কি সামলে সুশোভনও খুব ক্লান্ত। তবুও ক্লান্ত অবসন্ন মুখটা দেখে সুশোভন তার বসার জায়গা টি ছেড়ে দেয় রমণীটিকে।অরাজি হয়েও সুশোভনের অনুরোধ ফেলতে পারেনি সে। অবসন্ন ক্লান্ত দেহ টাকে সে বসার চেয়ারে রাখল। দুশো কিমির অধিক নিত্যদিনের যাতায়াতের গুঁতোগুঁতি আর দশটা- পাঁচটা অফিসের কাজের ক্লান্তিতে তার চোখ বুজে এলো।
       ট্রেনটা হর্ন দিয়ে ধীরে ধীরে স্টেশন ছাড়ছে। প্রথম গন্তব্য স্থান শ্রীরামপুর।অন্তত পঁচিশ মিনিট লাগবে পৌঁছতে। ভিড়ের মাঝে সুশোভন একটু নড়েচড়ে দাঁড়ালো।
ট্রেনের মধ্যে সুকণ্ঠি মহিলার রেকর্ডিং ঘোষণা,,,, পরবর্তী গন্তব্য স্থল শ্রীরামপুর।
       পাশের লোকটি ওঠা মাত্রই মহিলাটি সে জায়গায় সরে গিয়ে সুশোভন কে বসার জায়গা করে দেয়। ট্রেনটি আবার চলতে লাগল। মহিলাটি সুশোভনের দিকে তাকিয়ে বলল, একটা কথা জিজ্ঞাসা করবো আপনাকে ?
                  - বলুন
               -মাধ্যমিক কোন স্কুলে পড়তেন ?
               - কেন বলুন তো ?
              - না এমনিই। আপত্তি থাকলে বলতে হবে না।
             - না না আপত্তি থাকবে কেন? বাঁকুড়া জেলা ইউনিয়ন বিদ্যালয়,১৯৯৫
               - আচ্ছা আপনাদের ব্যাচে যে পাঁচজন স্টার পেয়েছিলেন, তার মধ্যে একটি মেয়ে ছিল তাই না ?
             - হ্যাঁ, সুলগ্না। খুব সুন্দর গান করতো সে।
             - সুশোভন তুই আমাকে চিনতে পারলি না?

অবাক দৃষ্টিতে চেয়ে দেখে সুশোভন- তার হারিয়ে যাওয়া বান্ধবী সুলগ্না কে !

            সুশোভনের বাবার বদলির চাকরির সুবাদে মাধ্যমিকের পর সুশোভন চলে যায় শিলিগুড়ি। সেখান থেকে পরবর্তী পড়াশোনা করে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে মাস্টার্স। তারপর স্কুল সার্ভিস দিয়ে শিক্ষকতার চাকরি পায় হুগলী জেলার পান্ডুয়ায়। ওখানেই বাবা মাকে নিয়ে এখন থাকে সে।

               - বিয়ে করিস নি কেন?
              - পাত্রী পাইনি যে !

       সুলগ্নার চোখে ভেসে বেড়াতে লাগল সেই দুই যুগ আগের স্মৃতি। সুন্দর কবিতা বলতো সুশোভন। তাদের গান আর কবিতা তারিফ করতো সকলে। স্কুল থেকে বিভিন্ন জায়গায় কম্পিটিশনে যেত তারা। জয়লাভ করে বিদ্যালয়ের মুখ উজ্জ্বল করতো। স্কুল ম্যাগাজিনে সুন্দর লিখত তারা। সুলগ্না গল্প আর সুশোভন কবিতা।লেখার শেষে একে অপরকে দেখিয়ে নিত তাদের সৃষ্টি।এরই ফাঁকে মন দেওয়া নেওয়া চলতো এই অবুঝ দুই কিশোর-কিশোরীর।

মাধ্যমিকের পর পুরোপুরি ছাড়াছাড়ি দুজনের। 

       ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করে কলকাতা মেট্রো রেলে চাকরি পায় সুলগ্না। তার বিয়ে হয়ে যায় বর্ধমানে এক ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের সঙ্গে। বিয়ে করতে চায়নি সে। মনে মনে অনেক খুঁজেছিল সে সুশোভনকে। কিন্তু বাড়ির জোরাজুরিতে  তিরিশ বছর বয়সে বিয়ে‌ করতে বাধ্য হয়  সে। এখন সংসারের নিত্য টানাপোড়েনের যাঁতাকলে পিষে পিষে দম বন্ধ হওয়া গদ্যময় তার জীবন।

দুজনেই বাকরুদ্ধ হয়ে একে অপরের দিকে চেয়ে থাকে।

       পান্ডুয়া স্টেশন ঢুকছে ট্রেনটা। এরই মাঝে ফোন নম্বর দেওয়া নেওয়া হয় দুজনের। সুশোভন নামলে ট্রেনটা হর্ন বাজিয়ে চলে যায় স্টেশন ছেড়ে। অপলক দৃষ্টিতে ট্রেনটির দিকে চেয়ে থাকে সুশোভন - পুরোনো স্মৃতিকে সামনে রেখে।

       ঘড়িতে রাত একটা বেজে গেছে। কিছুতেই ঘুম আসছে না সুলগ্নার। সুশোভন কেন এখনো বিয়ে করেনি ! কালকে হোয়াটসঅ্যাপে সুপ্রভাত জানাতে হবে তাকে। ফোন করে জানতেই হবে ওর বিয়ে না করার গোপন রহস্য।

       ঢকঢক করে জল খায় সুলগ্না। লাইটটা নিভিয়ে পাশ ফিরে শুয়ে পড়ে। চোখে ঘুম জড়িয়ে আসে।

          নদী কল্ কল্  শব্দে বয়ে যাচ্ছে। থমথমে শান্ত এক  পরিবেশ। কাগজ কলম নিয়ে কবিতা লিখছে সুলগ্না।
       আগে কখনো কবিতা লেখেনি সে। তিন লাইন লিখেই আটকে গেছে সুলগ্না। চতুর্থ লাইনে কিছুতেই ছন্দ মেলাতে পারছে না।

       একটা শ্যামলা রঙের ছেলে মিটিমিটি হাসছে তার দিকে চেয়ে। চতুর্থ লাইনে কি সুন্দর ছন্দ মিলিয়ে দিয়েছে সে।

        ছেলেটিকে চিনতে পারল সুলগ্না। এ তো সেই কিশোর সুশোভন, যে ছিল তার অবচেতন মনে বন্দি।

     ঘুমটা ভেঙে গেল সুলগ্নার। ঘড়িতে সকাল সাতটা বেজে গেছে। তাড়াতাড়ি উঠে পড়ল সে। সুশোভন কে সুপ্রভাত জানানোর জন্য ফোনটা হাতে নিল। হোয়াটসঅ্যাপটা খুলেই দেখতে পেলো সুশোভনের সুপ্রভাত মেসেজ। ঘরের জানালাটা খুললো সে। ঝলমলে মিঠে রোদ জানালার পর্দা ভেদ করে তার চোখেমুখে খেলা করতে লাগলো।

                রাজশ্রী বন্দ্যোপাধ্যায় 
                         ( ভারত )

নার্গিস 

বিগত কিছু ভুলের ছায়ারা বারেবারে নড়ে ওঠে আমার যাপনের আয়নায় 

অশনি সন্ধ্যায় পড়ে থাকে নিঝুম নদীর নির্বাক  দুই পার

বিষন্ন বালিয়াড়ি ভেঙ্গে যাবতীয় সম্পর্কের আসন্ন মৃত্যুকে জড়িয়ে পেঁচিয়ে ধরি

আমাকে উৎসর্গ করা মুহূর্তের জল্পনারা তখনও মুঠোতে ধরা

তবু আলগা হওয়া রাশ শিথিল হলে 
সবুজ ঘাসের ডগায় শুধু ছাই আর ভস্ম 

মৃত্যুর কলমচি হয়ে প্রতি রাতে আগুন প্রসব করি

পুড়ে যায় গৌড়ীয় জনপদ, বাসভূমি, বিধুমুখী উঠনের গোধূলি 

গ্রেভিয়ার্ডে সেজে ওঠে মৃত্যুর রয়াল মেনিফেস্টো

রাত ভোর হলে ক্লেদাক্ত শরীরে চোখ মেলে দেখি

জীবন আর মৃত্যুর মাঝ বরাবর গোছা গোছা নার্গিস এখনও প্রতিদিন ফোঁটে৷

         প্রবণ পালন চট্টোপাধ্যায়
  ‌                      ( ভারত )

বাক্যালাপ একান্তে
           
হাজার বছর পর, কোনোদিন এক জীবাশ্মে
লেখা থাকবে ভালবাসার ইতিহাস,
লেখা থাকবে চুম্বন সোহাগ,
লিপিবদ্ধ সমস্ত পরাজয় কাহিনী।

তখন প্রস্তরখন্ডে নতুন প্রশস্ত পরিচিতি
তাপ চাপ দহনে তৈরী নতুন রঙ,
তবু কোনো চেনা স্রোত
রানীর মতো এসে বলবে,
'সোনা, তুমি কি আজও কবিতা লেখো?'

নতুন জনারণ্যে কেউ শুনতে পাবে না
আমাদের শীতল এ বাক্যালাপ।
                
                        রাহুল বাগ
                         ( ভারত )

সাফল‍্যের সূত্র

জীবনখানি বহমান স্রোতের মতন,
                    থামতে সে তো জানে না|
থেমে যেতে হয় আসলে মরন,
                    এ সত‍্যের খন্ডন হবে না|
জীবনখানি বয় যতদিন মোদের,
                   প্রতিটা কদম তলে লড়াই|
কখনও জিত-কখনও বা হার,
                   বাস্তব কথা তো এটাই|
জয়ের লোভী মোরা সকলে,
                   হারতে কভু চায়না কেহ|
তবু হারতে হয় সময়ের কাছে,
                 তাই সময়কে করোনা হেও|


জীবনে কখনও যেও না হেরে,
               পরিস্থিতি সে হোক না যাই|
নিজের উপর রেখে ভরসা,
               নতুন করে শুরু করো তাই|
শুধু ঘটে যাওয়া অতীত হতে,
              কুড়িয়ে নিও সকল শিক্ষা|
কারোর করুণা লাগবেনা তোমার,
             যদি রয় জীবনে সত‍্যের দীক্ষা|
তোমার লক্ষ‍্য অটুট রেখে,
                       দাও গো বাড়ায়ে পা|
লক্ষ‍্যের পথ যাবেই পেয়ে,
                          আপনা হতেই তা|
  

লক্ষ‍্য তোমার হোক যতই উঁচু,
                     পেওনা মনে কভু ভয়|
কঠিন হলেও পৌঁছানোর রাস্তা,
                      পায়ের তলাতেই রয়|
পায়ের মাটিটা শক্তে গড়ো,
                জায়গা বানিও নিজ হাতে|
কদম জোড়ায় রেখো আস্থা অধীক,
           ভেঙোনা মন কোনই আঘাতে|
কেউ তোমারে দেবেনা পৌঁছে,
                 দেখাবেনা সাফল‍্যের পথ|
প্রচেষ্টা-একাগ্রতাই আর জেদ
             তোমারে চড়াবে জয়ের রথ|
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~














No comments:

Post a Comment