Thursday, 7 October 2021

2nd part of festival issue

 




Editorial - 
Poetry reflects life;
passion follows dreams  as a disciple worships purity. The eternal bond of art and life creates divinity. Let's flow in this spontaneous stream.

সম্পাদকীয় -
কবিতা যদি জীবনের খোঁজ হয় তবে কবিতা খুঁজে নেবে আরোও হাজার উপাসক,কবিতার সাথে হৃদয়ের বন্ধন যেন এক উপাসনা । উপাসনা হোক মহামিলনের আত্মার আত্মীয় করে চলায় এগুক জীবন,তবেই কবিতা ঈশ্বর । সকল কবি তবেই মিলনের পুরোহিত ।

ঘোড়সওয়ার - Ghorsowar ~

Editor. Nihar Ranjan Das .

Editorial and coordinator team

 Marlene Pasini ( Mexico )

Gitan Alice lleana ( Romania)

Miroslava Panayotovs 

(Bulgaria )

Gerlinde Staffler (Italy )

Madhu Gangopadhyay, ( India ).

Mala Chakraborty , (India )

Purbasha Mandol ( Kolkata )

Smita Gupta Biswas , (India )

Sujata Ghosh Roy . ( India )

Subrata Roychoudhury (India ) 

Monju GhoshChoudhury (India) 

Sujit Baksi ,( India )

Sanjita Das laskar, ( India )

Bilash Ghosh , ( India )

Kakoli Ghosh( moon) ,( India )

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~



~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

            Alice Ileana GÎȚAN
                  ( Romania )    

LET ME...

Sweet woman,

Let me touch the dreams hiding in between the stars,

The thoughts in the Milky Way and the unspoken voice

With the shadows of the night! 

Let me start your morning

With an emerald moment in the grass,

Red poppies kissing your face,

So you can love life just the way l do!

Let me bring you at noon

Hugs and the brilliant day's Sun

On the clear sky of an almost gone summer

Along the sweet taste of roses!

Let me watch at sunset

Your body curving in the waters,

Drawing perfect rainbows

On the sky that follows a stormy rain!

Let me get a little wild 

Not hiding from the people's watching eyes 

To feel life pulsing as multiplied  

Even if for that you'll ask me...

To be a woman ..

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

( In Romania )

Lasă-mă 

Lasă-mă s-ating cu umbra nopții

Visele ce se ascund în stele, 

Gânduri în Calea Lactee

Glasul neșoptit, dulce femeie!

Lasă-mă să-ți deschid dimineața 

Cu o clipă de smarald în iarbă, 

Să-ți sărut cu macii roșii fața 

Să iubești și tu, ca mine, viața!

Lasă-mă să-ți însoțesc amiaza 

Cu îmbrățișări și briliant aprins,

Pe-un cer senin de vară dusă 

Și-un dulce gust de trandafir!

Lasă-mă să-ți  privesc în asfințit 

Trupul unduindu-se în ape,

Curcubee desenând perfect 

Pe un cer, după potop de ploaie!

Lasă-mă să-mi fac un pic de cap

Să nu mă mai feresc de ochii lumii

Să simt cum este viața la pătrat 

Chiar de-mi ceri la schimb... 

Să fiu femeie 

©Alice Ileana GÎȚAN 

 
কৌশিক চক্রবর্তী
( ভারত )

হে বিশ্বায়ন, খবর নাও

বিছানা ঘেঁটে ছায়া কুড়নোর সময় কুড়িয়ে তোলা হাঁড়ি

ভাতের উপদ্রব নির্মীয়মান আকাশচুম্বী ঘরে

খেলা করার জন্য যেমন প্রয়োজন নীলচে মশারি

তেমন ভাবে আর ভাবা হয়নি একটিও আঁচড়ে

হে বিশ্বায়ন, খবর নাও!

খবর নাও কোনো পালটে যাওয়া ভিতে

নারকোল জলে কতটা মেশানো ছিল টক্সিনের গন্ধ

দিনমজুরিতে ফিরে পাওয়া আয়ে অধিকার, সস্তা না...

এদিকে উঠতে গিয়ে হোঁচট খাবার খবর 

আনাচেকানাচে নুইয়ে যাচ্ছে বাদুড়ের ভারী ডানা

হে বিশ্বায়ন, খবর নাও!

হঠাৎ হাসিল করা ঝরে যাওয়া ঘাম

কথা ছিল শোকেসে সাজিয়ে রেখে অস্ফুটে নিভে যাওয়ার-

ধ্বংসের আগে পাওয়া প্রাগৈতিহাসিক রিপোর্টারের চিঠি, চেঁড়াখাম-

হে বিশ্বায়ন, খবর নাও!

আমি জানতে চাই

তারা সকলেই শেষমেশ কাকে বিশ্বাস করতে চেয়েছিল...

               TÜRKAN ERGÖR 

                     ( Turkey )

LOVE AND PEACE 

Singing of love songs 

Birds 

Also even trees

Sea waves shoot each other 

For love for peace 

Wind whispers love words 

Together with peace 

Sun warms 

With love with peace 

Even while it pour rains 

Singing love songs 

Together with peace

The World turns around itself

West to east 

Occurs day and night 

The World turns around the Sun 

Occurs seasons

Love and peace 

Living together in the World 

Moving together 

And the World 

Sings of love and peace songs.

                পিয়ালী গঙ্গোপাধ্যায়  

                        ( ভারত ) 

উসুল 

বড় বেশি দিয়ে ফেলেছি তোমাকে, বড় বেশি

সেই কারণেই বোধহয়-

আজ অনেককিছুই লুটোচ্ছে অবহেলায় ;

তোমার ক্ষেতখামারের আগাছা হয়ে !


দিয়ে ফেলেছি তোমাকে বড্ড বেশি, বড্ড 

মনেহয় সেইজন্যই-

অনাদরে গড়াগড়ি যাচ্ছে সেই প্রাচুর্য ;

তোমার নদীচরের স্থবির বালিকণা হয়ে !


অতিরিক্ত দিয়ে ফেলেছি তোমাকে, অনেকটা

তার জন্যই আজ-

অস্তিত্বহীন হচ্ছে সেসব, অবজ্ঞার ভারে ;

ধোঁয়া মতো উবে যাচ্ছে সেই উত্তাপেরা-

                                       তোমার মনের ওম থেকে !


কিন্তু জানি, এই তুমিই একদিন-

এতো প্রাপ্তির পরেও, হাহাকার করবে বিলাপের সুরে !


আমাকে হারানোর জন্য নয়-

            ভীষণ কাছে পেয়েও, কিচ্ছু না পাবার জন্য !


উজাড় করা নিঃশেষের কাছ থেকে- 

অযাচিত বা আকাঙ্ক্ষিত আর কিছুই পাওয়া যায় না !


আদায় করতে গেলে যে-

                 কিছু মূলধনও, নিয়োগ করতে হয়.........

                 Marlene Pasini 

                       ( México )

LITURGIA DE LOS MARES 

(Fragmento)

Negros nubarrones sobre un mar embravecido

en el espíritu lluvioso de los días. 


¿A dónde vas con los escombros de este mar entre tu boca? 


Pertinaz el profundo océano.

La oscuridad arroja tempestades

y tú sueñas entre la espuma con esa costa de luz

que en tu sangre borbotea.

Plena la bruma te arrastra

y no ves la claridad, sólo un finísimo brillo

sobre mármoles de agua. 


El aire con su vaho salobre.

Viejos barcos. El horizonte quieto.

Todo podría ser simplemente olvido

bajo cobrizos bosques de coral. 


Espigas de olas sobre piedras.  


¿Hacia dónde?,  preguntas,

tú, en esta orfandad sinuosa

sin cerco, sin arenas,

tú entre el ojo enmarañado de la niebla. 


Bramidos de agua, mar en cólera,

tiempo lóbrego de proa,

violencia irrumpiendo en las rocas a flor de marejada. 


Tiemblan alas de gaviotas como el abismo en un poema

y el mundo sólo es un reflejo. 

                      বিশ্বজিৎ দেব 

  ‌‌‌‌                       ( ভারত )
ঘুঘু 

ঘুঘু থেকে উঠোনের দিকে নেমে যাচ্ছে একটি দুপুর..যেখানে রোদের ঢালু 

অবতরনিকা , পাঁচিলের গানের ফাটল 

এসব দৃশ্য থেকে নিজেকে সরিয়ে নিচ্ছে

শ্রাবনের জল, ঝুরোবালি, পুরোনো গাঁটের

আওয়াজ, নড়বড়ে ছায়ার ফটক 

ঘুঘুদের আর কোন গল্প নেই,বয়নশিল্প নেই, দুপুরের ধূসর উপমা খুঁজে তারা নেমে আসছে বৈদ্যুতিন পৃথিবীর টানে

 Slavka Bozovic 
 ( Montenegro )

Prayer

God, look at on the us

We need your help

Give blessings to our souls

Forgive us, sinners.

God, we're weak, kid

Trained in heavy armor

Yours, we need forgiveness

We are cursed, we sin.

Do it with the resurrection

May our souls be transforms

Instead of darkness, into light

Guide us with your love.

Bless us Lord forever

Yes an evil nothing can  to us

Yes man in man,

He finds refuge with faith.

My dearest Great Lord

Only you can help us

Open our petrified hearts

Always yes let's forgive each other.

সোমা দাস
( ভারত )
(১)

হলদে দুপুর 

ভাঙা দেয়ালের  ক্ষয়ে যাওয়া  ইঁটের

বুক  চিরে  মাথা উঁচিয়ে  দাঁড়ায় 

অশ্বত্থের চারা 

হলদে  দূপুর   হেঁটে  যায়  একা 

পিঁচগলা  রাস্তা থেকে  

কুকুরটা  চেটে নিচ্ছে রোদ

(২)

স্পর্ধা 


ধোঁয়া ওঠা  কফির কাপে  চুমুক দিয়ে

ভেজা  ঠোটে  চুম্বন  এঁকে দেবো  তোমার  গালে

এমন  স্পর্ধা  গোপনে  লালন করি! 

যাপিত  আশ্বিনে  বসে-

দৃষ্টি  রাখি  বসন্তের  শেষ

পাতা  ঝরা  বিকেলের দিকে,

যেদিন  বসন্ত  মায়াজন্ম  ত্যাগ  করার। 

আগে  লিখে  রেখে যাবে

মিলনের  ইতিহাস.....

Sonali Ray
( India )

The Daring Diva

The epitome of beauty and unmatched power

In her subtle essence dwells unfathomable valour

Her crowning glory or a garden of fragrant tendrils

A bouquet of breathing hourglass silhouette, she's His treasured masterpiece

Curvaceous and arcane her passionate bosom

Ornamenting them are the soft cherry blossoms


In her hourglass silhouette dwells a universe

Like a cascading frothy maiden, she's an artist's enigmatic verse

Her two oceans are indecipherable tunes

Brown, blue, or black, they ooze miraculous fumes

Her petalled lips whisper the most delicate song

Lost in her labyrinth of poems, man fails to discern right or wrong,  

She's a skilfully carved elegant sculpture delivered by the Almighty

A psalm of undying lust and love resides behind her breathtaking beauty. 

             Zara Soma/ জারা সোমা   ‌                                   (ভারত )

হিসেব

কোথায় যাচ্ছ তুমি!

পাঁজরে লুকিয়ে  আছে আকাঙ্ক্ষা 

সময়ের বালিঘড়ি দিয়েছি উল্টে 

কিছুটা ক্ষণে তুলে রেখেছি দ্রোহকাল


ভালো  আছি উত্তরে রয়েছে বোধ

নিজস্ব ভালো লাগা অধ্যায় 

মঞ্চে  এখনও পড়েনি যবনিকা 


আয়নার সামনে ব্যস্ততায় সেরে নিই প্রসাধন

দুঃখের ক্লিপে আটকে থাকে ভবিষ্যৎ 

মায়ার সকালে অপেক্ষায় অভিসার


শাপলা সরিয়ে উঠে এসো শকুন্তলা

পারঙ্গমে বুঝে নাও শেষ হিসেব।।।

আত্রেয়ী দাস
( ভারত )

আশ্বিনের ঐকতান 

আশ্বিনের আকাশের পিছু

রাঙা মাটির পথটি ধরে,

গেছিলাম খুঁজতে তোমায়

অসীম ঐ দিগন্তের পাড়ে।


আকাশ জুড়ে কে যে এমন

টুকরো তুলোর মেঘ ভাসালো,

কাশ বনেতে হাওয়ার দোলায়

জগৎ ছাপায় সোনার আলো।


প্রদীপ শিখা মুগ্ধ মনে

তাকায় দেবীর ত্রিনয়নে,

আশীষ মায়ের মাথায় লয়ে 

ঘুচায় কালো অন্ধ কোনে।


উৎসবেরই লগ্নে এবার

দূর করে সব হানাহানি,

আলিঙ্গনে ভোলাও ঘৃনা

রচিত হোক নবকাহিনী।


কবীর কহে আমার তোমার

নহে সে যে খোদা সবার,

দুর্গা তোমার আল্লা আমার

সুরের ঢেউয়ে ভাসাও দোহার।


সুফির গান আর আগমনী

শোনায় সবায় মধুর বাণী,

তারকাঁটার ওই বেড়া ফেলে

সিনান করো মোছাও গ্লানি


The Bhatiyali of autumn


The dawn nudged me out of slumber

humming a soulful bhatiyali,

The floating hyacinth beckoned me

with a childlike spree.


The horizon bathed in  assuring hues 

Resplendent, tranquil

As thy oars propel my existence

And with gaiety and bliss  fill.


In  the mellowed autumn light

The cumulus proclaims with a free soul,

Unburden and transcend

Where truth gleams in nature's every fold.


The beads of lost words

Strung on threads of memories,

Festoons the scars

Unfaded in centuries.


O, let the heart sing along

the eternal song and sail,

Inhaling the rustic air

Let the spirit unshackle.


As I stand at the brink

of my journey's culmination

I'm graced by the wisdom

Of life's peregrination.

© Atrayee Das

                      কেকা মল্লিক   

                         ( ভারত )

 ‌ শারদীয় 

সম্বৎসরকাল সংসারের লক্ষী আমিই! 

কলমী তুলি ঝাঁকায় আর উনুন জ্বলে কোড়ানো শুকনো পাতায়,গোবরে।

ঢেঁকিতে আমার পায়ের ছাপ আছে, তবেই খুদ পাই, জাউ রাঁধে মা।

মুখশুদ্ধিতে বেটে নিই থারকোল বা মানকচু পাতা,

ভাইবোন খুঁটে খায় আনন্দে পাঠশালায় অ আ ক খ।

বাবা খায় তাড়ি,ঘুম দেয় আদারে বাদারে

শোক তার অভাবের,সন্তান স্ত্রী  অনাহারে, তাও সংসার বয় সেই ভগীরথ। 

শিক্ষা চাই,তাই তার ভার ভুঁই সম।


শরতে কিয়ৎ খুশির ছোঁয়া মেঘল্লারে, চটানে গজানো কাশে শিউলির সুবাসে,

ভেজা শিশির চুপচুপে ঘাস আর শিষ দেয় সদ্যজাত হাঁড়িচাচা, ঘুঘু।


স্পর্ধা পাই, শেষ রাতে মিঠে স্বপ্নের ভোগ 

ভাজা পায়েসের ছিটে লাগা এক মালসায়, 

এঁটো ধুয়ে দেখি ভেসে ওঠে অম্বিকা রূপ।

সেই ক্ষণে আমি কন্যা, দুহিতা। 

সাধ হয় ধানছড়া গাঁটে বেঁধে, পেঁচার পিঠে ঘুরে বেড়াই দায়িত্বের ভার মাকে দিয়ে।

এমনি শরৎ আসুক ফি বছর, দানে পাই ডুরে পাড় শাড়ি, চাল কলা তিল

আমারও সাধ হয় মেয়ে হই একদিন, লক্ষী নই।

                    Aditi Lahiry

                       ( India )


Amidst The Green Woods


When you don't find me 

When I feel forgotten

Look for me underneath the grass carpet

Like a red velvet bug , I will be there

Amidst the green woods, I find my solace everyday


When the Sun sets , near the park

You will find me peeping from the dark

Near the lake where the white Kash flower grows

That is close to my heart , my natural abode

See me swaying when the gentle breeze blows

Amidst the green woods ,my character grows


Bubbling and babbling like a stream

With the reflection of the rainbow

Like a twinkle in my eye , my star guides travellers

The drum beats of nature and glow of fireflies 

Amidst the green woods, I stand up to guide them all


I remind each one of the happiness that I find

Hiding in the lap of nature , turns me to be more kind

Nature ,invites me with embracing arms

The trees ,the rivers the flowers and fruits are blessings from the divine

Amidst the green woods , I hide everyday, for harmony and balance I learn to welcome each day


There are days when I don't visit the lake by the Sunset

Those are the days , my eyes turn moist 

A deep restlessness , surrounds me from within

I rush to blend with the foliage ,emerald green

Amidst the green woods, I see my reflection best, they define my nature best.

                       শ্রীমন্ত সেন
  ‌‌‌                      ( ভারত )

জীবন-জিজ্ঞাসা

কত ভাবে বেঁচে থাকা যায়—

তার অমোঘ পরীক্ষা-নিরীক্ষায় কী যে সুখ পাই!

যেখানে যত অন্ধকার ঘাপটি মেরে থাকে,

চুলের মুঠি ধরে তুলে এনে জড়ো করি

আমার বুকের বারান্দায় কোনও দিন।


তারপর সেই বারান্দায় সারা রাত জেগে

অন্ধকার এফোঁড়-ওফোঁড় করি, তন্ন তন্ন করে খুঁজি—

কী করে জোগায় তারা বাঁচার রসদ!

সে বাঁচা কেমন বাঁচা? কেমন করে ঘোচায় তারা

আলোর চাহিদা? সে বাঁচায় প্রজাপতি আসে?

নাকি শূক-কীটেই থমকে থাকে প্রজাপতি-স্বপ্ন?


কোনও শীতের ভোরে অফুরান কুয়াশা কুড়িয়ে এনে

নিজের চারপাশে জড়ো করি—

কুয়াশা-ঘেরা অদৃশ্য মানুষ একা একা কীভাবে বাঁচে—

স্বমেহনে কত রাত আর পার করা যায়? 

চাঁদ কি ছুঁতে পারে তাকে? নাকি সকালের 

নরম রোদ এসে ধরে তার হাত? অথবা   

কুয়াশার ওপার থেকে কি কেউ আন্দাজে বাড়িয়ে দেয়

একটি দৃশ্যমান প্রশ্ন-চিহ্ন?


এভাবেই জীবন-জিজ্ঞাসায় নিরন্তর বুঁদ হয়ে থাকি,

এভাবেই বিচিত্র জীবনের সঙ্গে অবলীলায় মাখামাখি করি।

              Dr.Narendra Gadge

                      ( India )

An Optimistic Ray


Now we have poverty

And then little glory,

Life is just like this

In fact this is our story.


Sometimes we gain

Sometimes we lose,

If we see minutely

Life is just like a toss.


Life may be beautiful

With flowers and grass

Whatever it may have

Eventually Death is boss.


We have pain,happiness,

Success and failure,

We go on living

Although we have few hours.


The fear of death

Is always driven away,

By love and intimacy

Love is ever an optimistic ray.

                     সুশান্ত ভট্টাচার্য 
                     ‌   ( ভারত )

বিপন্ন সময়

এক

হৃদয় জুড়ে একাকীত্বের শীতলতা

রক্তের স্পন্দন স্পর্শ করে

মধ্য রাতের ঘন অন্ধকারে। 

জীবনের কোজাগরী বাসনার রাত

চলে গেছে ঢের দিন আগে সোনালি ফসল

মাঠে মাঠে ছড়িয়ে দিয়ে... 

দুই

উদ্ধত অহংকারী জেদ নেই আর

করোনা ভাইরাস সব কেড়ে নিয়েছে। 

এখন উদ্বিগ্ন মনে একাকী জীবন কাটাই

গৃহে বন্দি হয়ে - বেঁচে থাকার স্বাদটুকু

চেটেপুটে খাচ্ছি নিজের মতো করে

শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে এই দুঃসময়ে... 

তিন

এক উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ডুবে গেলো 

এই শতাব্দী - সন্ধির দুঃসময়ে 

করোনা মহামারীর তান্ডবে।

পুড়ছি নিজস্ব একাকীত্বে

কোনো প্রজ্ঞার আলো নেই চোখে 

শুধু নির্জনতা ছড়ানো চারপাশে...

                         Seema

                        ( India )


Light after the darkness


Beneath the silhouette of darkness

There is the light lying latent 

Endure the darkness for sometimes

To enjoy the light for lifelong


More enjoyable will be thy life

If you witness some hardship from your eyes

Fear not of the blackness

For, it is on this color that whiteness shines more

Don't you ever feel a kinda contentment that you attain after each effort?

If 'effort' be the darkness, 'reward' ensued is the light


The thorns are the darkness

If roses symbolise the beautiful light

Stars sparkle more when it is darkness

To get something in life, compromise with some odds encountering thy path

Do not change your way uneven may be the road 

Learn to walk on, that can be pebbly though


Cocoon you will get surely if you have endured more

Living in a comfort zone may not take you to any desired lane

Make your physique accustomed to bear all sorts of pain

Embracing the adversity without grudge is a sure step to thy aim


Light will seem brighter, had you pierced the darkness alone

Make your own way cutting through the waste land

Set the sails of life yourselves and lay comfortable on the safe sands

Ask a captivator how does he feel on getting his freedom

After lavishing in a cell for a long duration!

         আন্ওয়ারুল হক্ বড়ভূইয়া 
  ‌‌‌‌‌                       ( ভারত )

অবস্থান 

একটা হৃদশূল লুকিয়ে আছে কিন্তু 

আমার মগজের ভেতরে

দন্তশূলের মত 


আগুনের বয়স কিন্তু আমার সমান   

জীবিত থাকবে অবশেষ

অনেক মৃত্যুর পরও  


দৃশ্য আর বয়ান নদীর পারে

আলাদা জিনিস কিন্তু 

জল বালি চরও


একটা জঙ্গলে বাস করি আমি 

আমিই শেষ জীব এখানে 

তুমি না কিন্তু


এই পৃথিবীতে কম মানুষকে 

ভালো লাগে নি কিন্তু

আবার খারাপও  


একটা হৃদশূল লুকিয়ে আছে কিন্তু 

আমার মগজের ভেতরে

দন্তশূলের মত

     Eva Petropoulou Lianoy

                       ( Greece )

Nights


The nights and the days come and go without a smile

The days are so big without a smile

The nights are a waiting for a call or a message 

It is so expensive this time away from your eyes. 

You are my precious pearl.. 

A diamond hide in the mud..

Waiting the time to hug you and kiss you. 

You are my tresor hidden from the sun

Waiting the day I meet you again.. 

Waiting your look.. 

Waiting your lips.. 

You are my precious pearl hidden in the oyster deep in the sea.

You are my precious man

             দোলনচাঁপা দাসপাল

              ‌‌        ( ভারত )

আলোর উৎসে

মুঠো খুলে দিলাম

ঝরে পড়ল শৈশব,কৈশোর,যৌবন,

সৌভাগ্য। আলো ও আঁধার।

পড়ে থাকল সবকিছুই-

অজান্তে এবং কিছুটা অবহেলায়,

হয়তো একদিন মিশে যাবে পৃথিবী ও প্রকৃতিতে

সেভাবে ,যেভাবে এসেছিল

একদিন আমার কাছে।

বাতাসে ভেসে আসা ক্রন্দন ও হাহাকার

আমাকে করে মথিত

তবুও প্রাণের নিভৃত সূচাগ্রের  বৈদুর্য- আত্মা

আমাকে ভাসিয়ে দেয় মহাশূণ্যে-

আমি এসে দাঁড়াই বন্ধ সাদা দরজার

সামনে।জানা নেই ওপাশে কি আছে তার!

শান্তি?নৈঃশব্দ? অথবা শুধুই

বিষণ্ণতা,একদা যা ছিল আমার

সেসব হারাবার!

তবুও আমি দাঁড়িয়ে থাকি স্থির।

জানা নেই আলো না অন্ধকার

কে যাবে আমার সাথে

অহংকার না নিঃশর্ত  সম-প্রাণ?

                  Haroon Rashid

                        ( India )

COMES A TIME'


There comes a time in our lives

When friends become enemies

Lover turns to hater

Happenings want to make us smaller

But inside we are becoming greater

And then afterwards

Greater are we inside out

Small things leads to big things

Haters turns to lovers

Enemies start becoming friends

As this time also comes in our lives

And then we have an epic life.

                    রাজর্ষি সরকার
                        ( ভারত )

শান্তিপর্ব

একদিন,

থেমে যাওয়া ঝড়,

আমাদের দেখাবে মেঘ ভাঙ্গা সূর্যের মুখ।

সোনালী রূপালী আলো

পৃথিবীতে এসে পড়ে

জাগাবে অনাঘ্রাত সুখ।।


পাশুপত-প্রলয়ের শেষে,

প্রসন্ন নটরাজ তাণ্ডব থামাবেন হেসে।

পাদদাপে তার যত ধুলো,

শান্তির সিঞ্চনে ক্লান্ত মাথা ছোঁয়াবে

দাপিত পৃথিবীর শয্যায় এসে।।

একদিন,

শান্ত হবে সব ক্রোধ-

চেতনায় লীন হয়ে যাবে রক্তাক্ত বিরোধ।

একদিন সব আক্রোশ,

কুরুক্ষেত্রের পরের সন্ধ্যায়

শান্তিপর্বের অনুশোচনায়

নিভে যাবে সব প্রতিশোধ।।

হিংসার রক্তাভ চোখ,

ঝাপসা দৃষ্টিপাতে দেখবে

সামনে অশ্রুর পারাবার।

গাণ্ডীব সুদর্শন সব

বিসর্জনে ভেসে যাবে

অতল সাগর জলে-

নিবৃত্ত হবে উদ্যত সব অসিধার।।

একদিন,

শেষ হবে শরশয্যায় 

ক্ষত-বিক্ষত দেবব্রতের অন্তিম শয়ান।

প্রসন্না অম্বার দেহ,

চিতার লেলিহান দাবদাহে

খুঁজবে না পরজন্মের হিংস্র অভিযান।।

একে একে মুছে যাবে

দুঃস্বপ্নের,বেদনার ছবি।

সার সার মৃত্যুর শেষে

আলোকসাগরে ভেসে

অনুরাগগীত লিখবেন কোনো কবি।।

                 Mihaela  Melnic

                      (  Italy )

Rafting through the pyres


While soft rafting in dark waters

we crossed waves with a pyre


a last bed of slumber

carnations and fire 


burning, burning 

like the core of the earth

like terrestrial yearnings


a nightmare to witness

a blissful vision

( let your choice be sacred) 


Myrrh and sandal

with skin and marrow

mingled


they say, some entity breathes it in 

to empower 


Who knows if karma

hurls into Samsara 

those trapped in Evermore's 

currents

as they aproach the black ocean...

                 অনিলেশ গোস্বামী

                      ( ভারত )

অলীক সুখের ঘর 

নির্মাণ করতে গিয়ে বারবার ভাঙনের মুখে

জানি এ ভাঙনধারা একদিন শেষ হয়ে যাবে,

মাঠে মাঠে নুয়ে পড়া সবকটি ফসলের গাছ

উদ্ধত গ্রীবা নিয়ে সারি সারি দাঁড়াবে আবার ।

স্নিগ্ধ জৌলুস সাথে ভরে যাবে সন্ধ্যার আকাশ

না-বলা সংলাপগুলি ওষ্ঠজুড়ে মুখর হবেই,

সমস্ত হারানো শব্দ লেগে যাবে কবিতার দেহে,

তাইতো শরীরময় ভালোবাসা মেখে বারবার

দেখেছি মৃতের পাশে জেগে ওঠে নবীন জীবন

আমার প্রত্যয়ের কাছে সবকিছু দেখি একাকার।


রূপোলী কৌটোয় ভরে কী এনেছো বলে দাও

বিষ বা অমৃত যাই হোক পান করে নেবো ।

একটি মিনতি আছে তোমাদের কাছে --

অসময় কালবৈশাখী এখানে নামার আগে

ভাঙনের পার থেকে একবার এসে দেখে যাও

বসন্তের গানগুলি কেমন বৃষ্টিতে ভিজে যায়...

দেখো আমার কারুকার্যময় অলীক বাসগৃহ

আমার এই অস্থির যাপন,

আর রহস্যেঘেরা কুয়াশাজড়ানো সুখ...

                      নীলা শুর রায় 

                         ( ভারত )
বাবু আমি চোর নই

      ডাক্তার বাবু বাবার নির্দেশ পালন করতে উদ্যোগ নিলেও বাবা ইতস্ততঃ বোধ করে বাধা দিলেন পা ছুঁতে। উপস্থিত সবাই অবাক দৃষ্টিতে ঘটনা উপভোগ করছে। 

বাবাকে নিয়ে ডাক্তার বাবু নিজের রুমে ফেরত গেলেন। আমি ততক্ষণে কাকু বলে সম্বোধন করে ফেলেছি। 

কাকু আমাকে বললেন "অবাক হলে মা ?"জানো বহুবছর আগের একটা ঘটনা আমার চোখের সামনে ভেসে আসছে ----

"আমি, তোমার কাকিমা আর আমার ছোট্ট সন্তান নিয়ে আমার সংসার। ভালো মন্দ মিশিয়ে চলছিল জীবন। কিন্তু তোমার কাকিমা র হঠাৎ করে ঘুস ঘুসে জ্বর শুরু হলো। কিছু দিন পর তার সাথে কাশি। কিছুতেই কমছিল না। দিনের দিন বেড়েই চলছে। ডাক্তার দেখাই ওষুধ চলতে থাকে কিন্তু ক্রমশঃ দুর্বল হয়ে যায়। আরো বড়ো ডাক্তার দেখালে হাসপাতালে ভর্তি হতে পরামর্শ দেন 

এমন অবস্থায় আমার চাকরি টা চলে যায়। খাওয়া জুটানো দায়। হাসপাতালে ভর্তি করে আমার জমানো সামান্য পুঁজি তে হাত দিই। তাও ফুরিয়ে গেল। ডাক্তার জানালেন যতশীঘ্রী সম্ভব ইনজেকশন চালু করতে হবে। আমার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল, আমি দিশাহারা। আমি দিশাহীন ভাবে পথ চলতে শুরু করলাম একদিন। হাঁটতে হাঁটতে এক অপরিচিত জায়গায় এসে দাড়াই। সামনে একটা বিল্ডিং। তার সিড়ি বেয়ে উঠে পরি চিলেকোঠায়। সেখানে ক্লান্ত শরীর নিয়ে ছেলে আর আমি ঘুমিয়ে পরেছিলাম।

আমাকে লাইট পোস্টে বেঁধে গণধোলাই শুরু হয়ে গেছে। আমি কিছু বলতে চাইলেও শোনার লোক নেই তখন। পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। এমন সময় চৌধুরী বাবু ওই পথ দিয়ে অফিসের পথে যাচ্ছিলেন। আমার শিশুটি ততক্ষণে কাঁদতে কাঁদতে আবেদন জানাচ্ছে "বাবা দুষ্টু করে নি ,তোমরা মেরো না বাবাকে। "

তোমার বাবা ওই সময় আমার প্রতিসহৃয় হয়ে সবাই কে মারতে বারণ করলেন। আমি কেন চুরি করতে এসেছিলাম জানতে চাইলেন ।আমি প্রেসক্রিপশনটা এবং বেড নাম্বার টা উনার হাতে তুলে দিলাম।

 এই শুনে তাদের মধ্যে কয়েকজন খোঁজ নিতে গেলো। প্রকৃত ঘটনা জানার পর চাঁদা তুলে ইনজেকশন, ওষুধ, ফল পথ্য সব জোগাড় করে দিলেন উনারা। যখন ঘুম ভাঙলে তখন রাত গড়িয়ে সকাল 6টা।আমি নিচে নেমে একটা ঘরে ঢুকে যাই, দেখলাম সামনে একটা মানি ব্যাগ। আমি খেয়াল করি নি আমাকে বাড়ির সদস্য রা দেখে ফেলেছে। তারা ঘরের বাইরে তালা দিয়ে লোক জরো করতে গিয়েছে। আমি চোর না বাবু বললাম। শুধু তা নয় আমার ও আমার বাচ্চার থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করে দিলেন। তোমার কাকিমা সুস্থ হয়ে উঠলেন। আমার চাকরি টা আবার ফিরে পেলাম। ওই সময়ের মধ্যে তোমার বাবা শিলিগুড়ি ত্যাগ করে অন্য কোথাও চলে গিয়েছিলেন। আমি বহু চেষ্টা করি ভগবানের মতো মানুষ টি কে খুঁজে পেতে । বাবা বেড়িয়ে এলেন ডাক্তার বাবুর ঘর থেকে। আমি স্ব স্ব ব্যস্ত হয়ে বাবার কাছে গেলাম। কাকুও বাবার কাছে আসলেন।বাবাকে হাত জোড় করে বললেন চিনতে "পারছেন না ?

"বাবু আমি চোর নই"- - - চিনতে পারলেন আমি কে। আমার সেই শিশু আজ আপনার ডাক্তার রায় ।


                      অজয় বৈদ্য
                       ( ভারত )

একটু আলোর জন্য  

গণ্ডগ্রাম। দীপাবলির রাত।বিদ্যুৎ সরবরাহের তার এ গ্রামে এখনো পোঁছেনি। দূরে দূরে রাস্তার পাশে খুঁটির মাথায় সোলার ল্যাম্প জ্বলছে। ছাড়া ছাড়া বাড়ি ঘর।মাঝেমধ্যে পটকার আওয়াজ। থেকে থেকে শেয়ালের ডাক।

 -দারগাবাবু তাড়াতাড়ি আসুন। চার নম্বর ল্যাম্প পোস্টের পাশে একটা চোর ধরেছি। 

ফোন পেয়ে দারগাবাবু সদলবলে ছুটে আসে।হাঁ ঠিক।গ্রাামবাসী  একটি ছেলেকে আধামরা করে পিলারের সাথে বেঁধে রেখেছে।

এই ছেলে তোর নাম কি?

কাঁদতে কাঁদতে বলে - রাজু।

রাজু কি?

রাজু দাস।

বাবার নাম কি?

সাধন দাস।

বাবা আছে?

না।

মা আছে?

হাঁ।

কি করেছিস?

লাইট পোস্ট থেকে সোলার ল্যাম্পটা খুলে নিয়েছি।

একজন বলে - দাগী চোর স্যর।

ছেলেটি বলে - এই দীপাবলির রাতেও আমার ঘর অন্ধকার। একটা মোমবাতি কেনার টাকাও আমার কাছে নেই।এছাড়া সামনে আমার দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষা। আলোর অভাবে রাতের বেলায় পড়তে পারিনা।

দারগাবাবু একটু নরমগরম সুরে বলেন - সরকারি সম্পদ এভাবে খুলে নিয়ে যাওয়াকে চুরি বলে। তা তুই জানিস না?

ছেলেটি মাথা নীচু করে রাখে।

চল আমার সঙ্গে।

দারগাবাবু রাজুকে থাানায় নিয়ে আসে।এফ আই আর হয়েছে। চুরির ধারা লাগে।

পরদিন দারগাবাবু রাজুকে আদালতে সোপর্দ করে।রাজুর উকিল নিয়োগ করার সামর্থ্য নেই। তাই রিমান্ড এডভোকেট তার পক্ষে শাওয়াল করে। রাজুর জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যায়।চৌদ্দ দিন জেল হাজতের অর্ডার হয়ে যায়।

দারগাবাবু রাজুকে হাতকড়া পরাতে গেলে সে বলে- স্যার একটু আলোইতো চেয়েছিলাম। তারচেয়ে বেশী কিছুতো নয়।একটু আলোর জন্য এতবড় সাজা!

দারগাবাবু হাতকড়া পরাতে পরাতে রাজুর দুচোখের কোনে দুফোটা জল চিকচিক করতে দেখছে। রাজুর মা দারগাবাবুকে হাত জোড় করে কাঁদতে কাঁদতে বলে - স্যর, আমার ছেলে অবুঝ।

দারগাবাবু উদাস চোখে রাজুর দিকে চেয়ে বলেন - আমার তোর মতই একটা ছেলে আছেরে রাজু.....।

Gerald Shepherd (UK )

MICRO STORIES

A mythical figure approaches, a short man dressed in clouds. He meets the tall tree girl at the place where a mountain meets a stream. I look into a mirror that lies. I see the glamorous demigoddess holding all eight of my hands. Two figures recede into the talking distance. 

A three headed man walks towards me astride a large dog. The dog had a building for a brain - the front door was locked. I found out later that it had just swallowed a bicycle. 

I decided to paint the top of my head blue to match my mood. To confuse the Victorian curtains I called the girl from my childhood me. The ocean proclaimed itself amphibious and crawled on land.

Climbing a ladder that is sinking I spot a kettle pulling carriages in the distance. I shout at my hat and it whispers in reply. Birds in the blue grey sky spell swear words in a foreign language. 

A tractor dressed in a suit paints a rose on a dustbin. The thorns are culled on a flowerless branch and cows calf in a racing tunnel.  A crowd converges on an empty space. 

The girl with telephone hair pulls a steam engine out of her handbag and crowns the frog king. I absentmindedly eat a holiday postcard with music spread on top - the melody immediately changed into a gargoyle on a bookshelf (I hadn't read the books). The stranger doffs his hat to a cruet set while an invisible machine absorbs silence in the corner of the room. 

I sit on a tortoise chair and remember things that haven't 

           Miroslava Panayotova
                      ( Bulgaria )


НЮАНСИ  

Познатото

звездно

лице

на нощта

наднича

от прозореца ми

в стаята.

Не знаех

песента -

научих я -

не мога

да я пея.

Но в планината е небето,

съдържа и гори полето.

По-дълъг е денят

от глупостта,

макар

понякога

обратното

да мислим. 


NUANCES 


The familiar star face

of the night

is peeking out of

my window

into the room.

I didn’t know

the song –

 I learned it –

I can’t sing it.

But in the mountains

is the sky,

the field

also contains

forests.

The day is longer

than the folly,

although

sometimes

we think

the opposite.

রণিতা নাথ
( ভারত )

অনেকদূর দৃষ্টি

প্রতিটি মুহূর্ত 

দেখিয়ে যাচ্ছে অনেক কিছু 

চোখ কি দেখছে

মন কি ভাবছে 

কান কি শুনছে

কিভাবে সঞ্চালিত হচ্ছে স্নায়ু 

যদিও তার হিসেব মেলানো ভার

তবুও কোন এক অজানা খাঁদের দিকে...

পা ঠেকছে বার বার

থেমে থাকে না 

সামনে পথ না পেলেই

ডানে বামে পেছনে...

তারপর আবার পথ

খুঁজে পেলে 

চলতে থাকে পা 

অনেকদূর দৃষ্টি-

শেষদিন আসা অবধি

আরো কতো,

আরো কতো খাঁদ

হাঁ করে আছে সামনে !

                  তপনকান্তি মুখার্জি 
                        ( ভারত )

ব্যথার আঁচড় 


বাবার শেষদিককার কথাগুলো খুব মনে পড়ে - ' ব্যথা রে , বড়ো ব্যথা , বড়ো কষ্ট , এর থেকে মরে যাওয়াই ভালো । ' 
তাহলে তো সবাইকেই মরে যেতে হয় বাবা । কারও শরীরের ব্যথা , কারও মনের । অফিস , বাড়ি , যানবাহন , রেস্টুরেন্ট সর্বত্রই ব্যথার আলোচনা , কষ্টের গন্ধ । দুচোখ কষ্ট করে খুলে কেউ দরজায় শোনে হা - হুতাশ , কেউ আক্ষেপধ্বনি , কেউ আপশোস , কেউবা হাপিত্যেশ । এতো কষ্ট আমাদের অজান্তে কে দিয়েছে বাবা ? 
এর সবই কি আরোপিত , নাকি কিছু কিছু আমাদেরই গড়া - অস্থির লক্ষ্যের দিকে ছোটার প্রবল আকাংক্ষায় ? 
তুমি তো এখন সব ব্যথা - কষ্টের উর্ধে বাবা । দরজাটা হাট করে খুলে জীবনভর এ খেলার গল্পটা শোনাবে ?  


              শ্রেয়সী চ্যাটার্জী ( ভারত )
   
বিয়েবাড়ি   
পড়ন্ত বিকেলে, সূর্য প্রায় নদীর বক্ষে ঢলে পড়েছে, আকাশ হলদে-লাল ছটায় ভরে গিয়েছে যেন কোনো এক পাড়াগাঁয়ের মেয়ের সবে মাত্র বিবাহ সম্পন্ন হয়ে  এই প্রথম কপাল থেকে নাকের ডগায় সিঁদুর গড়িয়ে পড়ল।  আর আকাশের সেই মেঘগুলো যেন কোনো এক  সদ্য স্নান সেরে আসা কিশোরীর ঘন কেশ।  

সেদিন ছিলো শ্রাবণ মাসের কোনো এক মঙ্গলবার, গ্রামের এক খানিক উন্নত পাড়ায় ভালোই সম্পদবান কোনো এক বাড়ির সবচেয়ে প্রিয় পুত্রের বিয়ে, বেশ জাঁক জমকভাবে সমস্ত কাজ সম্পাদন করা হচ্ছিলো, রান্নার ঠাকুর ছিলো উড়িষ্যার থেকে ভাড়া করা, নানারকমের মিষ্টির, সরবতের সমাহার ছিলো সেইখানে।  কোনো আয়োজনে কোনোপ্রকার খামতি ছিলো না। অতো বড়ো বিয়েবাড়ি তার ওপর আবার অত আয়োজন। শয় শয় মানুষের ভিড়,আত্মীয়স্বজনদের হই-হল্লা পুরো বাড়িকে বেষ্ঠন করে রেখেছিলো।  সময় বাইতে থাকলো ভিড় বাড়তে থাকলো।  তাড়াহুড়ো শুরু হয়ে গেল বিয়ে সম্পন্ন করার উদ্দেশ্যে।  
হঠাৎই বাইরের বড়ো গেটের ভেতর দিয়ে একজনকে  প্রবেশ করতে দেখা গেল, দেখে মনে হচ্ছিল সে হয়ত অন্য কোনো প্রাণী।  দূরত্ব খানিকটা কমলো তখন সামনে থাকা লোকজন বুঝতে পারলো সে আসলে মানুষই।  কিন্তু তার শারীরিক গঠন এতটাই অদ্ভুত ছিলো যে তাকে দেখে একটা চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছিলো। 
সেই শিশুটি খুব দুর্বল ছিলো, হাতে প্রায় জোর ছিলো না বললেই চলে,সে এতটা পথ কিভাবে হেঁটে আসলো সেটা সত্যিই ভাবার বিষয়। বিয়ে বাড়ির কোনো এক সহৃদয় ব্যক্তি তাকে একটু জল দিয়ে বসতে বললো।  সেই লিকলিকে, হাড্ডির ওপর চামড়া বসনো শিশুটিকে চারিদিকের সব সুস্বাদু খাবারের গন্ধ আঁচড় কাটছিলো। অদৃশ্য ছিলো সেই আঁচড়ের দাগগুলো। শিশুটি সেই যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে নির্লজ্জ হয়ে তীব্র আওয়াজে বলেই উঠলো 
-"আমাকে একটু খাবার দাও,এসব গন্ধ আর সহ্য করতে পারছি না আমি"।  
এরই মধ্যে যার বিয়ে সে এসে হাজির হয়েছে,তার নাম নবীন। বাড়ির সবার আদরে সে বাঁদর হয়ে উঠেছে। বরাবরই সে বদমেজাজী স্বভাবের, স্বার্থপরও প্রচুর।  সে এত জটলা দেখে শিশুটির কাছে আসলো, শিশুটি এবার ক্লান্ত হয়ে মৃদু স্বরে বলে উঠলো, 
-" আমাকে একটু খাবার দাও নাহ্!" 
শিশুটির কথাটা পুরোপুরি শেষ হতে না হতেই নবীন তার দিকে তেড়ে গিয়ে তার গায়ে হাত তুললো, আর প্রবল গালিগালাচ করলো, ভদ্রবাড়ির কোনো লক্ষনই তার মধ্যে দেখা গেল না, তাকে দেখে মনে হলো চওড়া ফুটপাতে বসবাসকারী লোকজন হঠাৎ খাবার পেলে যেমন মারামারি করে একে অপরের সাথে ঠিক সেইরকম মারামারিতে সে লিপ্ত হচ্ছে।  সে শিশুটিকে ধাক্কা মেরে বের করে দেবে এমন সময়ই বাড়ির কর্তা হাজির হলো, তিনি নবীনের এরূপ আচরণে অনেকটা ক্রুদ্ধ হয়ে বলেই ফেললেন
- "আজ যদি  তোমাকেও আমি রাস্তার থেকে তুলে না এনে রেখে দিতাম ওখানে তোমারও এই অবস্থাই হতো" 
কথাটা শুনে বিয়েবাড়ি নিস্তব্ধ হয়ে গেল,  এত বছর ধরে কষ্ট করে,নানা ফন্দী এঁটে রাখা কথাটা এক পলকে সকলের সামনে উন্মুক্ত হয়ে গেল, যেন কথাটা আর বদ্ধ কুঠুরিতে থাকতে পারছিলো নাহ্! 

                  মৌমিতা দে ধর ( ভারত )

পশ্চিমের সূর্যোদয়
             
উত্তর কলকাতার বনেদি পরিবারের কৃষ্ণকান্ত চাটুজ্যের একমাত্র স্ত্রী সুনয়না দেবী বর্তমানে চাটুজ্যে বংশের শেষ রক্ষিনী,বয়স প্রায় ঊনআশি ছুঁই ছুঁই | কৃষ্ণকান্ত ও সুনয়না দেবীর কোনো পুত্র সন্তান হয় নি যে কিনা পরবর্তীতে চাটুজ্যে বংশকে আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে | তাদের বড়ো আদরের একমাত্র কন্যা অরুণা | ছোটো থেকেই পড়াশুনো, গানবাজনা সকল কিছুই খুব সুন্দর ভাবে অর্জন করেছে এবং বনেদিয়ানার সঠিক যা কিছু তার সবকিছুই অরুণার মধ্যে সম্পূর্ণ দৃশ্যমান | পিতৃহীন অরুণাকে সুনয়না দেবী পাত্রস্থ করে নিজ দায়িত্ব পালন করেন একদম সঠিক সময়ে | স্মৃত্যরাজ ভীষণ ভালো মানুষ, অরুণাকে খুব ভালোবাসে | ওদের ভালো থাকা দেখে সুনয়না দেবীর প্রশস্তি ফুটে ওঠে মনে, মুখে, চোখে |


গত কয়েকমাস সুনয়না দেবীর আর শরীর টা ভালো নেই বয়সের ভারে | কিন্তু আজ যে জামাইষষ্ঠী, সুনয়না দেবীকে তো আজ ভালো থাকতে হবে, কারণ আজ তার বাড়িতে তার মেয়ে জামাই আসবে | সকাল থেকে বাড়িতে তারই তোড়জোড় শুরু হয়েছে | কতো কিছুর আয়োজন |যত সময় এগোচ্ছে ততো বেশি উতলা হচ্ছে সুনয়না দেবীর মন | যথাসময়ে স্মৃত্যরাজ ও অরুণা এসে একগাল মুখে হাসি নিয়ে সুনয়না দেবীর পা ছুঁয়ে প্রণাম করে বল্ল কেমন আছো মা ? মাথা নাড়িয়ে সুনয়না দেবী জানালো ভালো আছি | কিন্তু শাশুড়ি মায়ের শারীরিক অবস্থা দেখে স্মৃত্যরাজের একটুও বুজতে অসুবিধা হলো না, যে তিনি কেমন আছেন | 


শুরু হলো জামাইষষ্ঠীর আচার অনুষ্ঠান |ষষ্ঠী মায়ের বরদান আচারে যখন সুনয়না দেবী তার আশীর্বাদের হাত স্মৃত্যরাজের মাথায় দিলো আর জিজ্ঞাসা করলো কী বর চাও বলো ? স্মৃত্যরাজ বলে উঠলো আজ মা ষষ্ঠীর কাছে আমি আমার মা কে চাই, চাই মায়ের সাথে থাকতে, নিয়ে যেতে চাই আমার মাকে আমাদের কাছে, চাই তার জীবনের বহু মূল্যবান শেষের দিনগুলিতে তাকে উপলব্ধি করতে, তার সেবা করতে, তার যত্ন নিতে, তার দায়িত্ব নিতে আর সর্বোপরি ভালোবাসতে | 

স্মৃত্যরাজ জানতো এই আচারে বর চাওয়া আশীষ ব্যর্থ যায় না | তাই সুনয়না দেবী বেশ কয়েকবার  মুখে না করেও শেষে মেনে নিতে বাধ্য হলো | অনেক আনন্দে সুনয়না দেবীর চোখ দিয়ে খুশির জল বেড়িয়ে এল | সাক্ষী থাকলো এক অনন্য জামাইষষ্ঠীর | 


সেদিন সুনয়না দেবী দুহাত মেলে দিয়ে তার পরম ইষ্ট দেবতার চরণে প্রার্থনা জানালো সারা ভারতের ঘরে ঘরে যাতে উদয় হয় এমন পশ্চিমের সূর্যোদয় |

                     দিব্যেন্দু নাথ ( ভারত )

'স্বরূপ'

- আমি যদি আবার নাইনের ছাত্র হই, তুমি কি  সেভেনের ছাত্রী হবে?
- না। 
- কেন?
- - দাদাদের মাঝে! দাদা দাদা বলে আবার তোমাকে খোঁজাবো?
- এও তো ঠিক! তবে এখন পর্যন্ত তো সেই দাদা-ই ডাকো।
- সে তো তোমার জন্য!
- এছাড়া আমার আর কি করার ছিল?
- হ্যাঁ। পালিয়ে গিয়ে বংশের আভিজাত্য বাঁচানো-ই ছিল তোমার সঠিক সিদ্ধান্ত।
- যাইহোক! সাতকাহন গল্পের পর তো এখনও একটা সম্পর্ক টিকে আছে। কথাটা শুনে আঁখির এতদিনের শুষ্ক বাঁকা নয়ন বেয়ে দু-ফোটা অশ্রু টপ-টপ করে ঝরে গেল। স্বাভাবিক ভাবে বলতে চাইল, পরল না। অনেকটা গোঙানির মতো আওয়াজ বের হল গলা থেকে,
- আমার অভিমানটা কোনদিন বুঝতে পারোনি তুমি।
- কে বলল সে কথা?
- কেন টুপুর পরতে গেছিলে আমাকে রেখে?
- সেদিন তো তুমি পরিস্কার-ই বলে দিয়ে ছিলে...!
- পেছনটায় কে ছিল! মনে আছে? 
- আছে।
- আমি আর মনের প্রলাপ ছড়িয়ে লোক হাসাতে চাই না দিব্যদা। অধরা ব্যথায় আক্রান্ত আঁখি একটু মুচকি হাসি দিয়ে আবার বলল,
- সমাজের মিথ্যে অহমিকায় ভরা আমার দাদা! কেন যে নিজকে এত সংস্কারসম্পন্ন মনে করে। এবার যেন  দিব্যর গলাটা কেঁপে উঠল। তবে সেটা ভয়ে নয়! হারানো বিরহে।
- তুমিও তো সায় দিয়ে ছিলে দাদাকে।
- এছাড়া কি করার ছিল আমার! 
- প্রতিবাদ করা।
- তোমাদের পুরুষতান্ত্রিক সমাজে অবলা নারীর কণ্ঠে কি এত সাহস আছে?
- পক্ষে একটি মাত্র ধনাত্মক সংকেত দিতে আমাকে, দেখতে কি করি!
- মারডাঙা করতে?
- করতাম।
- লোকে হাসতো! ভালোবাসায় হিংসা...।
- তুমি রাধার অন্তর, পিঞ্জরে নিয়ে জন্মিলেও... আমিও কিন্তু কৃষ্ণর মতো প্রভাস নদীর পারে বসে আছি এখনো...।
- ছাড়ো না গো বিরহ! কি আর হবে এসব ভেবে। আমার তো ঠিকানা-ই বদলে গেছে।
- হ্যাঁ। তুমি তো মায়ের তকমায় রঞ্জিত হয়ে গেছো।  পৃথিবীতে এই একটাই সম্পর্ক আছে সব সম্পর্ককে  ফিকে করে দেওয়ার জন্য। 

মৌনতা আকড়ে ধরে আঁখিকে। বিষ্ময় না আকুলতায় ছেয়ে গেছে, বুঝা গেল না। প্রলাপ সুরে  বলতে লাগল দিব্য,
- আমিও চাই না.... মা সম্পর্কটা কোনো দিন পৃথিবীতে কুলোষিত হোক। সহজ পৃথিবীর জটিল করা নিয়মানুযায়ী তো, ভুলটা সবসময় পুরুষদের-ই হয়! এই কলঙ্কটা আমারই থাক! অশ্রু পান করতে শিখে গেছি এখন। চোখের জল ছাড়া সমাজের সমস্ত ভার বইতে পারি। 
- হ্যাঁ গো। মেয়েরা তো কেঁদে হালকা হয়, লোকসমক্ষে। পাঁচমিশালি আহা-উহু তাও পাওয়া যায় শ্বান্তণা স্বরূপ! তাতে যদিও দুঃখ কমে না। কিন্তু সমব্যথী ধরে নেয়া যায়। অথচ পুরুষদের এমন এক যোদ্ধা হিসেবে চিহ্নিত করে রাখে 'সময়', যেন কাঁদাটাও লজ্জার।  ওদেরও মন আছে, স্বাভাবিক কান্না আছে এটা মনে-ই থাকে না। মানসিক নির্যাতনে পুরুষরাই বেশি কোণঠাসা হয়ে পড়ে। আঁখির কথা শুনে অজস্র দুঃখের মাঝে পুলকের ছোঁয়া পেল  দিব্য। কেমন জানি বাকরুদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। 
- মৌনব্রত ভেঙে ফেলো। বেশি চুপ থেকো না!   তোমার কথা মতো বেনারসি পড়েছিলাম ঠিকই। ভেবে না তাতে তুমি 'দোষী' এটাই আমাদের ভাগ্য ছিল। আজ যে অবতারের পূজা করছি! গোপনে তুমিই তো ঢেলে দিয়েছো হাতে ফুল। 

আজ যেন দিব্য পুরুষ হয়েও ভুলে গেছে, সে পুরুষ; বাউল হয়ে ভুলে গেছে তার স্বরূপ। না হলেও কি দুচোখ একসাথে ভেঙে গলে যেত! বাউল ধর্মে কারো প্রতি কোনো খেদ থাকতে নেই। তবুও কেন জানি আঁখির বারবার মনে হচ্ছে, দিব্য পথ ভ্রান্ত...!! প্রশ্নটা করবে কি করবে না, না ভেবেই সুধালো,
- আজ একটা সত্য বলবে?
- কি গো?
- আমারে সংসারি বানিয়ে তুমি কেন বাউল হলে!
- ওঃ, সে-কথা! উত্তর জানা প্রশ্নটা করে কেন লজ্জা দিচ্ছো। আঁখি নীরব হয়ে যায় কিছুক্ষণের জন্য। বিনয় ভরা বিলাশিতার হাসি দিয়ে বলে,
- ইজ্জত! সেটা বাঁচাতেই তো এখনো দাদা বলে ডাকি...। নাহলে তোমার সঙ্গী হয়ে চলে যেতাম সাধন মার্গে। কথাটা দিব্য না শুনলেও অনুমান করতে পারল। মনে মনে বলল, - তোমার ওজন এত বেড়ে গেছে যে; আর পারছি না! বুকে নিয়ে বইতে...।
              দুলাল চক্রবর্তী ( ভারত )

 তুমি রবে নীরবে

ছোটবেলায় মা মারা যাবার পর বাবার কাছেই বড় হতে ও লেখাপড়া শিখতে লাগলো রমেন ।বাবা সরকারি চাকরি করতেন। এক সময়ে সে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশ করলো। কিছুদিন পর তার বাবা হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। ডাক্তারী পরীক্ষার পর জানা গেলো,
তার বাবার ক্যান্সার হয়েছে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসার পরও তাকে বাঁচানো গেলোনা
রমেন বড় অসহায় হয়ে পড়লো। একটা চাকরীর জন্য খুব দৌড়ঝাঁপ শুরু করলো পরে একটা সরকারি চাকরি পেলো। কর্মক্ষেত্রে তার এক বন্ধু পেল-- সুদীপ। ও রমেনকে খুব ভালোবাসে। ঘনিষ্ঠতার সূত্রে অনেক সময় সুদীপের বাড়িতে যেত। ওর মা ও একমাত্র বোনের সাথে রমেন খুব ঘনিষ্ঠ হয়ে গেলো। একপর্যায়ে রুমি ও রমেন একে অপরকে ভালোবেসে ফেললো। মা ও সুদীপ সেটা বুঝেছিলো। এক সময় উভয় পক্ষই তৈরি হচ্ছিলো একটা শুভদিনের আশায়। একদিন একটা জরুরী কাজে এক বন্ধুর বাইকে চড়ে সে শহরে আসছিলো। পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাইকটি এগিয়ে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খেয়ে রমেন ওরা ছিটকে পড়ে গেলো। রমেনের নাক মুখ দিয়ে রক্ত ঝরছিলো। ট্রাকের সহযোগীকে নিয়ে ড্রাইভার রমেনকে
নিয়ে দ্রুত নিকটবর্তী হাসপাতলে ছুটে এলো। ডাক্তার আসলেন। কিন্তু ততক্ষণে সবশেষ। খবরটা রমেনের মোবাইল থেকে সুদীপ কে জানানো হলো। খবরটা শুনে সুদীপ যেন পাথর হয়ে গেলো। মা ও বোনকে সে কিভাবে খবরটা দেবে? মর্মান্তিক ঘটনা। শুনে ওরা হাসপাতলে ছুটে এলো। রুমি অপলক দৃষ্টিতে চেয়ে অঝোর ধারায় কাঁদছিলো।
" হে ক্ষণিকের অতিথি, এসেই চলে গেলে?"

                  Carmen Silva
                   ( Romania )

Desired flight 

I would like 
To carry wings in all colors of butterflies 
And to soar in a traveling balloon 
To see the world from the detachment of the high ... 
For flying as high as possible, 
I would throw the ballast of thoughts 
And I would just keep the beautiful ones with us 
So I can float lightly 
And happy 
Among clouds, dreams and desires

                Alexey Kalakutin 
                      ( Rasia )

RETURNING TO GOD

"Lord, I cry out to you, listen 
remember the voice of my prayer ”. 
Psalm 140

Tell me, tell me, tell me, tell me 
to me with a star of truth in the constellation of lies. 
Explain to me, how the earthly torment will end? 
A series of boring days that drains to death? 
Or is it that no one will ever know?

Guide me, guide me, guide me, guide me 
to a world where the rains do not cry of sadness, 
a world of smiles, funny and happy songs, 
to a world where eternal happiness and tenderness are in the chest, 
where my little world is interesting for everyone.

Protect me, protect me, protect me, protect me 
of the vices that I will find along the way. 
I am earthly and subject to material influence 
Stay with me, help me walk the path 
Help me not to shake my foundation!

Confirm me, confirm me, confirm me, confirm me 
that I will still see you ahead. 
All hope is in you, comfort is your word.
Take me out of earthly doubts, 
and I will believe in happiness again, as in my youth.

©Alexey Kalakutin 
(Russia, Nizhny Novgorod) 


Обращение к Богу 

        Господи, воззвах к Тебе, услыши
мя: вомни гласу моления моего. 
                                          140 псалом.

Укажи, укажи, укажи, укажи
Мне на звёздочку правды в созвездии лжи.
Объясни, чем закончится мука земная,
Тусклых дней вереница, что к смерти бежит?
Или это никто, никогда не узнает?

Приведи, приведи, приведи, приведи
В мир, в котором не плачут от грусти дожди,
В мир улыбок, веселья и радостных песен,
В мир, где вечное счастье и нежность в груди,
Где мой маленький мир будет всем интересен.

Защити, защити, защити, защити
От пороков, что буду встречать на пути.
Я – земной, и подвержен влиянью земного.
Будь со мной, помоги мне дорогу пройти,
Помоги, чтоб во мне не шаталась основа! 

Подтверди, подтверди, подтверди, подтверди,
Что я всё же увижу Тебя впереди.
Вся надежда в Тебе, утешения слово.
Ты меня от сомнений земных отведи,
И я в счастье поверю, как в юности, снова. 

©Алексей Калакутин
(Россия, Нижний Новгород)

                    Donya Mirzaei
                           ( Iran )
     
1
Look at back:
There's life
I'm in
There's a father

Take a look around:
There's life
My place is empty
Father's place is empty

2
My Room
Full of invisible hands
Some of them
shaking my hands
Some of them 
Throttling my throat!


3
The Mirror
Doubles
The loneliness of my sadness

When I stand in front of it
I'm one person
The loneliness
Two person!

(Translated by: Fadil Oktay)

                               পলাশ দাস
         ‌‌‌‌‌                 ( ভারত )

সন্ধ্যাতারার আলো

ছায়াহীন থাকতে কতক্ষণ আর ভালো লাগে 
ছায়া নিভে আসছে দেখলে তাই
ফুচকাওয়ালার পাশে এসে দাঁড়াই 


কত মানুষ টুকটাক কথা 
সবার এখানে হাতজোড়া জোড়াহাত 


এর মধ্যে দিয়েই কিছু শব্দ নেমে আসে 
ঝকঝকে উচ্চারিত তারা 
দাঁড়িয়ে পড়ে এদিক-সেদিক  

অন্ধকারের রিলে রেসে থাকতে থাকতে চোখ তেতে গেছে 
এখানে আসলেই দেখি 
আলো খুঁটে খুঁটে কীভাবে একেকটা ফুচকার ভিতর পুড়ে দিচ্ছে 
আমার পরিচিত সেই ব্যক্তি 

যার অগ্র-পশ্চাৎ আমার জানা নেই 
শুধু দেখি সে আলোর ব্যবসা করে 
খুব কম বাক্য ব্যয় করে                                                          

              GRGORE CURCANU  
                   ( Romania )

Now only the two of us are in orbit 


I'm dancing with you on the tiles, honey 
When the moon puts on her lemon dress, 
Now only we are in orb
And a poor star with a pearly face. 

It's night - now under flowering linden trees,
Just some Fairies are madly singing
I catch your beltvin the live dance 
And the scatterbrained bow cries on the strings. 

Under her turquoise dress her breasts dance, And the moon changes her gala dress 
We jump in the night like crazy, 
Dazzling Starlight rose from the vault. 

It snows from the wings of the wind 
With silver and gold at once, 
On the soft lashes press caresses, 
Kiss me now, when dawn trembles 

The violin shut up and the dance breaks, 
In my arms you fall trophy and pain, 
And the tiles are lonely and dumb 
The paths are now sleeping awkwardly.

                          অমিত মজুমদার 
                          ( ভারত )

দর্পণ 

যে দর্পণে দাঁড়িয়ে আছি সেখান থেকে আরও 
অনেক দূরে নজর দিয়ে জল ছেটাতে পারো। 

পায়ের নীচে আমার মতোই উল্টে দাঁড়ায় বিবি 
স্তন যুগলে হাসনুহানা কপালে ত্রাণশিবির। 

সেখানটাতেই ঘোরার জন্য আরামদায়ক ঘোড়া 
এলাম দেখে নাল লাগাচ্ছে সদ্য আগুন পোড়া। 

পুড়লে আবার তীর চালাবো টার্গেটে যাও তুমি 
তোমার মহান জাতক পাবে অখণ্ড এক ভূমি। 

ভূমির পাশে কম্প দিয়ে জ্বর এসে যায় তবু 
তুমিই বুকের খনন কার্যে চরণ রাখা প্রভু। 

বিবির পায়ে পা লাগিয়ে উল্টো হাতের রেখায় 
এ দর্পণই বিষাদগ্রস্ত জন্ম কথন শেখায়। 

জন্ম থেকেই লড়াই যখন ঢাল ও তরোয়ালে 
এসো এবার সন্ধি করি গাল লাগিয়ে গালে।

       Márcia Batista Ramos 
                        ( Brazil )
Survivor


All died
before I was born:
Grandma Antoinette
Grandma Negrita
Grandpa Cesáreo
Grandma Leontina
Grandpa Ignacio
The aunts
The cousins
Today I’m alive
Full of the dead!

                        স্নিগ্ধা নাথ
     ‌‌                     ( ভারত )

অনন্ত পাগলা

বিকেল হলেই 
অনন্ত পাগলা তার অন্তহীন ঝুলি থেকে
একে একে বের করে জীবনের যা কিছু সঞ্চয়
বোতলের ছিপি,প্লাস্টিকের বাঁশি, ঝর্ণা কলমের নিব,
ক্ষয়ে যাওয়া মোমবাতি,টুকরো কাগজ
তার সেই ঝুলির ভিতর
চিকচিক করে উঠে একটুকরো শৈশব,
অনন্ত তার গোটা জীবন
ঐ শৈশবেই থেকে গেল
তার বয়স আর বাড়লো না ।

ঝুলি কাঁধে যোখন সে রাস্তা দিয়ে হেঁটে যায়
পিছনে ছেলের দল চিৎকার করে
অনন্ত ঘুরে দাঁড়িয়ে ভেংচি কাটে , তেড়ে যায়,
 তিড়িং তিড়িং করে নাচে ।
কখনো বা ভেউ ভেউ কাঁদে শিশুর মতোই
সে তার অন্তহীন ঝুলি উপুড় করে
প্লাস্টিকের বাঁশি,ক্ষয়ে যাওয়া মোমবাতি
আর টুকরো কাগজের মাঝখান থেকে
উঁকি দেয় শৈশব ।

জয়িতা ভট্টাচার্য 
( ভারত )

ভাত

একথালা ভাতের জন্য এসব উঞ্ছবৃত্তি।

একথালা ভাতে সবুজ বিপ্লব___

লাঞ্ছিত পাখিটি 

 গাছের তলায় 

পড়ে মরে

 রক্ত ঝরে ,

ঠোঁট ফেটে যায়, 

পাঁজরে পাথর চাপা পড়ে,

একটু ভাতের জন্য এমন কিছু অন্যায় নয় 

যদি আরো কিছু লাশ 

মর্গ থেকে নেমে এসে মেঠোপথ  ধরে।মৃতের নিঃশ্বাস রাতে ডানা মেলে.... 


পরদিন ফের বিউগিল বেজে ওঠে  উন্মুক্ত  বাজারে

                      বিকাশ দাস
                         ‌‌ ( ভারত )

ইষ্টিপত্র 

আমি হাত পেতে তোমার প্রসাদ খেতে  আসি রোজ

এ তো আমার পেটের ক্ষুধা জুড়ানো মহা ভুরিভোজ।  


মানুষের মন্ত্রে তুমি ঈশ্বর নামাঙ্কিত।  

মানুষের যত্নে তুমি সংরক্ষিত। 

মানুষের আলোতে তুমি আলোকিত। 

মানুষের প্রেরণায় তুমি পূজ্যপ্রণীত।  


যদিও যতটুকু নিঃশ্বাস ততটুকু উচ্ছ্বাস। 

অগাধ জলে সোজাসুজি সাঁতরে যাও। 

অন্ধ-অন্ধকার হাতড়ে গন্তব্য খুঁজে নাও। 

মানুষের বন্ধনে আনন্দের স্পন্দন পাও। 


প্রতিভার লক্ষণ

জীবনমন্থন 

চৈতন্য বিবরণ 

ঈশ্বরে ঈশ্বরীয় পুঙ্খানুপুঙ্খ উপমার মায়ার উদাহরণ নয়।  

শব্দে শব্দে সাদাপাতা ভরে যাওয়া কবিতার দর্পণ নয় । 

স্বপ্নে একটু গরম ভাত খাওয়া,দর্শন ছাড়া আর কিছু নয়।  

Alab Sibel
( London )

Lost Address 

Times passed one after another

He left without an address and without warning

The paths of life sent him into the blocked path 

The old address chance had to remember ,,


He tried to walk the path without a path 

He hurt himself more than much He was insecure

 Andai has forgotten the old address ,,

He cursed himself for doing wrong 

Life burdened him with deliberate suffering 

The good ones made him nauseous

The long journeys without trails 

Behold, they smote the eyes in the dust like a blind wave,


May the good path be so tricky

As he himself has walked 

And now as it comes to mind no address  

I lost my old contacts

That paths without a way passed his life,

 

He lost his self-confidence occasionally like the wind 

Andai at the crossroads was accompanied by life

                নিরুপম শর্মা চৌধুরী
                        ( ভারত )

সঞ্চয়  

 শিউলি ফুলের মতো আমাদের সেই 

 সস্তা সময়, অনাদরে লুটোপুটি যায়...

হয়তো আজকের সঞ্চয়-হীনতায়!

অথবা সব ফুলে 

মালা-গাঁথা যায় না ঠিকঠাক;

যেমন কিছু কিছু পাখি

উড়তে জেনেও, দু'পায়ে হেঁটে চলে... 

ধুলো-মাটির মেঠো আস্বাদ মাখে গায়!

            Cristina Serghiescu
                  ( Romania )

Sometimes

Sometimes we get lost in a world of smoke,

We're looking for red shards in ash fields,

We gather cloths gnawed by broken dreams,

We gather shard tears in our fists.

Sometimes we rise on the silks of the clouds,

We sift our shivers on the wings of roosters,

We draw arrows in the bright skies,

We close ourselves in circles of yellow dreams.

We often feed on flames of thought,

We break words by slapping lines,

We suck thirst from whispering springs,

We stir the silence through the eyes of the night.

Sometimes we bloom through thorny hills,

In the clay of the soul we dig deep roots,

We reap confusion in the chain of feeling,

We protect seeds in the furrow of love.

                    সুস্মিতা ( ভারত )

প্রিয়..

আজও সিঁদুরের লাল রংটাই আমার সবচেয়ে প্রিয়,

ওই রক্তিম সিঁথি, একটা ছোট্ট টিপ, আর লাল পাড় শাড়ি,

ওই সাজটাই ছিল তোমার সবচেয়ে প্রিয়!


তুমি বলতে, আমায় নাকি অনেক সুন্দর দেখায় তাতে,

তোমার ওই কথাটাই  আমার সবচেয়ে প্রিয়!


তোমার ওই চোখের চাওনিতে নিজেকে অনেক বেশি সুন্দর মনে হতো,

তোমার ওই চাওনিটাই আমার সবচেয়ে প্রিয়!!


তুমি বলতে বেশ মিষ্টি তোমায় দেখতে, তার চেয়েও মিষ্টি তোমার কথাগুলি!!


আজতো তুমি আমার দিকে ফিরেও তাকাও না

'কথা' এখন তোমার আমার মাঝে হয়না,

কি করে সব পাল্টে গেলো?

আমি তো কোনো দোষ করিনি..


যদি তোমাকে 'ভালোবাসা' আমার 'দোষ' হয়ে থাকে,

হ্যাঁ, তবে  আমি 'দোষী'!


তোমার আজও আমাকে বিনে কারণে দোষ দেওয়াটা আমার সবচেয়ে প্রিয়!!

Namrata Pillai
( India )

Grief had its day along the way.

Some usual ups and down passed away.

Just experience the essence of the pain.

Betrayal is a tray which serves sorrows and pain.

The troubles are enough in life in its own way.

Like a dart board targets expectations from efforts made.

Pain is just like rain.

It drizzle tears from eyes.

But that water drained will nourish.

Ultimate will be the result with a magical ray.

Everything will start healing in its natural way.

Let’s determine and play the game again.

Pains are partying each day.

Suppressing pain in a cage from ages.

                    ড. সোমনাথ দে
                         ( ভারত )

পুরুষ 

পুরুষ কি শুধু শরীর খুঁজিস!

নিগড়ে নিস বুক

তোর তো একটা মনও আছে

প্রাধান্য পায় ভুক।


পুরুষ তুই তো কখনো পিতা !

স্নেহের পরশ আলিঙ্গন

ফুটফুটে তোর রাজকন্যেকে

আগলে রাখিস সারাক্ষণ।


পুরুষ তুই তো কখনো দাদা !

খুনসুটি বোনের সাথে

ছাড়িস না তো পাড়ার মোড়ে

কখনোই একলা রাতে।


পুরুষ তুই তো কখনো প্রেমিক !

ভালোবাসা তোর দুর্বার

সমস্ত ঝড় পেছনে ফেলে

এক হওয়ার অঙ্গীকার।


পুরুষ তুই তো কখনো স্বামী !

কিছুটা তোর কিছুটা তার

সকল ভরসা নারীর ওপর

গোছানো তোর সংসার।

       Marco Antonio Rodríguez 
                   ( Tarija Bolivia )

THE STAR THAT MADE ME IN LOVE

I fell in love with a star ... that shines in my sky
I fell in love with its intense light; it looks like a firefly, turning on and off to the rhythm of my heartbeat.
It is its magnetic force that has me pending its radiance and radiance.
I am seduced by its light, its color, its silent voice and the striking attraction it exerts on me.
But above all it is her brilliance that invites me to go where she is.
"How beautiful is the Star that made me fall in love"!

                 পত্রালি গুহ ( ভারত )

চিরায়ত ইতিহাস

একবার উঁকি মারো মনের গভীরে-

দখবে শ্মশানের নিস্তব্ধতা।

হু হু বাতাসের হুতাশন,

জেগে আছেন শুধু সেই 

পরম সৌম্য সুন্দর।

খোঁজ পাবে জীবনের রূঢ় বাস্তবতার,

শোনাবে জীবন প্রান্তের ইতিকথা।

যেখানে আবেগের নদী

হারিয়েছে তার স্রোতস্বিনী গতি।

শুক্ন পাতায় মেখে থাকে

অশ্রুকণা বিরহের সুর।

অঙ্কুরিত তৃণের হয় না উন্মোচন,

আগামীর পথ রুদ্ধদ্বার।

শাণিত ফলার মতন

নেমে আসে বিচ্ছেদের শোক,

ঝাপসা অস্পষ্ট চিরায়ত ইতিহাস।।

             Chen Hsiu - chen
                   ( Taiwan ) 


台灣的名字


二十年前

台灣人到國外常被詢問

你是日本人嗎

被說成日本人

舉止優雅

但台灣名字陷在地表下


如今出國還常被詢問

你是日本人嗎

你是韓國人嗎

你是中國人嗎

不是不是不是

不知道要否認多少次

台灣名字  

才會浮出海面


同樣一層黃皮包裝

我是如假包換的

Made in Taiwan.

即使我會萬邦語言

我也是用外語

訴說我台灣人心聲


要等到哪一天

才能翻轉

日本人韓國人中國人

在國外被詢問

你是台灣人嗎      


In the Name of Taiwan台灣的名字


Twenty years ago

The Taiwanese were often asked when they were abroad,

Are you Japanese?

Being treated as if we were Japanese

Meant a certain style of elegant behaviour,

Although the name of Taiwan was hidden beneath the surface.


Even today, when I am abroad, I am often asked, 

Are you Japanese?

Are you Korean?

Are you Chinese?

No, no, no.

I don't know how many times 

The name of Taiwan is denied

Before it can eventually rise to the surface.


With the same yellow wrapping,

I'm the most authentic goods,

Made in Taiwan.

Even if I can speak the universal language,

I am still using a foreign tongue

To express my feelings as a Taiwanese.


When will

Things be turned around,

Causing Japanese, Korean and Chinese

To be asked, when they're abroad,

Are you Taiwanese?

(English Translation by Lee Kuei-shien)

                     মোসাইদ খান 
                       ‌‌(  লন্ডন )

বোধের অধিক 

অসরল সমীকরণ বোধের ভিতর বাহির

গ্রন্থের বাইরে গিয়ে যখন দেখি জন্ম ও জীবন ।

পৃথিবীর পিছলা উঠানে ছিটকে পড়া অনুভূতি টগবগ টগবগ ফুটে শান্ত শরীরে ।

জীবনের অক্ষর তরজমা করতে গিয়ে পাথর সমুদ্রে ডুবে যায় কালি ও কলমের ঘোড়া

ফিকে হয়ে আসে সব রঙ

হাওয়ার শানশওকতে মাটির মৃদঙ্গে বাজতেই থাকে 

জন্মই কি তবে জীবনের মূল্য নির্ধারণ করে,

নাকি সবই অদৃশ্যর ইশারা ? বোধের অধিক ।


জন্মের কথা ভাবতে গিয়ে আতুড় ঘরে ঢুকে যায় গণিতের সাপ 

কপালে একেঁ দেয় দুধ ভাতের হিসাব

আতাতায়ী ঘোরের মিনারে উড়তেই থাকে 

একি তবে জন্মের নীল নিয়তি নাকি মানুষই আলাদা করে মানুষ ?

                   Ljubica Katic

                    ( Split-Croatia )

I MISS YOU

Tonight I miss you like never before,

I miss laying my head upon your chest.

Tonight I miss you making me smile,

I miss your cold hands making me warm.

I miss you wiping the tears from my eyes,

So their salt leaves no mark.

I also miss those morning a long time ago

When we were getting ready for vacation.

I miss you like dried flowers miss the water,

Taking one last breath,

Even they sometimes flourish

When watered with lots of love.

I miss you…


বোঝাপড়া

বিমল বসাক


মা। এবারও একি ভুল করলি ?

কি ভুল করেছি বাবা ? কোন ভুল করিনি আমি।

নিজের পছন্দের গল্পের বই গুলি তাকে গোছাতে গোছাতে নন্দিনী তার বাবার সাথে কথা বলছে।--


নন্দিনীর বয়স ৩০। সে ইতিহাসে এম.এ, বি.এড। মালতীবালা উচ্চ বিদ্যালয়ের ইতিহাসের শিক্ষিকা সে। পাঁচ বছর হয়েছে নন্দিনীর চাকরি হয়েছে। কিন্তু তিন তিনটে পাত্র ওকে পছন্দ করেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি। প্রথম দু'জন ছিল স্কুলশিক্ষক তৃতীয়জন কলেজের লেকচারার।


এবার চতুর্থ পাত্র-- সরকারি অফিসার।--

প্রতিবারের মতো এবারও নন্দিনী তার আলোচনায় ব্যতিক্রম আনেনি।-- পাকা দেখা হওয়ার পর নন্দিনী ছেলের বাবাকে বলেছে-- আমি অমিতবাবুর সাথে একটু কথা বলে নিতে চাই।--


আজ রোববার। নন্দিনী আর অমিত রাজবাড়ীর মাঠে বসেছে।-- গাছের ছায়ায়। সামনে দীঘির জল।

--আমার একটা শর্ত আছে অমিত বাবু !

--বলুন !

--বিয়ের পরও বাবা ও মায়ের পুরোপুরি দায়িত্ব আমাকে নিতে হবে।-- সম্ভব হলে আপনাদের বাড়ীর সামনেই আমি বাবা ও মায়ের একটি ফ্ল্যাটের ব্যবস্থা করব। আপনার মত আমিও বাবা ও মায়ের একমাত্র সন্তান।--


৩৬ বছরের পাত্র অমিত একটু হাসলো শুধু।--

না-- আমি আপনাকে এক সপ্তাহ সময় দিলাম-- আপনি আপনার অভিভাবকদের সাথে আলোচনা করুন--

--ঠিক আছে চলুন। তৃষ্ণায় যাওয়া যাক। ওখানে ধোসা খুব ভালো করে।


বাড়ি ফিরতে নন্দিনীর সন্ধ্যা হয়ে গেল। বারান্দায় বাবা বসে আছেন। বাবা নন্দিনীর বন্ধু।--

সব খুলে বলল নন্দিনী। এবারও তুই সর্বনাশ করলি মামনি! এবারও তুই বিয়ে ভেঙে দিলি।--


রাত দশটা। মোবাইল বেজে উঠল। নন্দিনী ধরল। 

--আমি অমিতের বাবা বলছি।

--আমি নন্দিনী। 

--তাতো বুঝেছি। তোমার বাবাকে দাও--

--আমি অমিতের বাবা বলছি।

--বলুন।

--আজ থেকে অমিত আপনারও ছেলে। ওর দুজন মা। দুজন বাবা।--


কানে কম শোনেন জন্য সাউন্ড টা বাড়ানোই ছিল।-- পাশের আয়নায় নন্দিনীর বুদ্ধিদীপ্ত কর্তব্যে অটল রূপটি আরও উজ্জ্বলতর হয়ে উঠলো। 

ঠাকুর ঘরে মায়ের শঙ্খধ্বনিতে বাড়িতে আজ উৎসবের মেজাজ।












1 comment: