Saturday, 28 August 2021

August issue , 6th part.

l

 সকল কবি এবং পাঠকদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং ভালোবাসা।

                  Welcome to 

  our all poets and readers.

🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏

Editor. Nihar Ranjan Das

Siliguri , Darjeeling, 

West Bengal , India.

Editorial and coordinator team 

Madhu Gangopadhyay, 

Bangalore , India .


Mala Chakraborty , 

Kalyani . West Bengal,India .


Smita Gupta Biswas ,

Kolkata, West Bengal , India .


Sujata Ghosh Roy .

Kolkata .West Bengal,  India .


Subrata Roychoudhury 

Siliguri,West Bengal , India  .


Monju Ghosh Choudhury,

Siliguri , west Bengal India .


Sujit Baksi , Siliguri , west Bengal , India .


Sanjita Das laskar, Silchar, Assam , India.


Bilash Ghosh , Hoogli ,west Bengal , India ,


Kakoli Ghosh( moon) , Baharampur , west Bengal , India .

 

Daniela Marian , Romania.


Gerlinde Staffler, Italy.


Marlene pasini , Maxico .


✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️

Editorial ....

Only poem, song, and drama can break the chain and bring a free yard.  Today the whole world is before us in an authoritarian form.  We will break this chain, to walk our path with this vow.

শৃঙ্খল ভেঙে এক মুক্ত উঠোন আনতে পারে কেবল কবিতা , গান , নাটক । আজ সমস্ত পৃথিবী এক স্বৈরাচারী রূপ নিয়ে আমাদের সামনে । এই শৃঙ্খল আমরা ভাঙবো এই ব্রত নিয়ে আমাদের পথ চলা ।

🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹


~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

                   মঞ্জু ঘোষ চৌধুরী 
 ‌‌                   ‌‌ ‌   ( ভারত )


নির্বাসন   

আমি তো কবি  নই 
শব্দ জুড়ে ভাষার  বাহক। 
বুকে ধরি  আগামীর স্বপ্নের ভিড়। 

বুলেটের শব্দ, কাঁদানে সেল, 
বারুদের ধোঁয়া, 
মাঠে ময়দানে  আদিম উল্লাস ,
প্রতিবাদী কন্ঠ সোচ্চার হয়। 
কবিতার ভাষায় নেভাতে  চায় বিদ্রোহের  আগুন। উন্নয়নের প্রদীপ জ্বালাতে চাই জীবনমুখী কবিতায়। 

প্রতির্স্পধী স্বপ্নেরা হবে বাস্তব, 
হৃদয়ের আঙ্গিনায় আঁকা হবে  সাহসের আল্পনা
উৎসে ফিরতে চাই জীবন ছুঁয়ে ।
নিঃশ্বাসে প্রশ্বাসে চাই সবুজ
অরণ্যে সেই বসন্তের গান। 

তর্জনী  তুলে শাসক
কবি কি যাবে নির্বাসন ? 
কবির জন্ম হয়,  মৃত্যু হয় না।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
                     শুভম (ভারত )


কবিতার মতোই 

এখান থেকে কতদূর কোয়ার্টার পাড়া! ভাবতে ভাবতে মাথার
 উপর সন্ধ্যা নেমে আসে --- আর একটা তারা নিভে 
যায় আমার পশ্চিম বারান্দা ঘেঁষে, ফেলে আসা
বাদামী সম্পর্কের সেতুর উপর দাঁড়াই -- দেখি,
            অধ্যায় পেরিয়ে নেমে গেছে জল...

জলের নির্জন অক্ষর ভেঙে কি একটা অচেনা
মাছ ঘাই করে যায় আবার, 
ভেঙে যায় জলের শরীর। ঠিক তোমার অবয়ব এর মতো
মনে হয় .. 
আবার পুরোনো ডায়েরির অলস পাতা ওল্টাই। একটা 
বিচ্ছেদের কবিতা নেমে আসে কলম থেকে। তবু একটা 
করে দিন চলে যায়, ফিরে ফিরে আসে জন্মদিনের কবিতা 
         শুধু একটা করে মোমবাতি বেড়ে যায়।
 আর প্রতিদিন একটা করে তারা জ্বলে ওঠে 
একটা করে তারা নিভে যায়

ইদানীং তোমার কথা লিখি না আর 
আর এই ছায়াছবির মতো জীবন নিয়ে এদিক-সেদিক ঘুরে বেড়াই 
যার, টেক ওয়ান এ এক দৃশ্যে 
টেক টু-তে বদলে যায়
            সবটাই .......
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
                প্রতীক মজুমদার(নীল)
                       ‌‌    ( ভা‌রত )

তোর চোখের পাতায়

তোর চোখের তারায় আমি স্বপ্ন খুঁজি
বেদুইন জীবনে পথ হারাই বার বার
তোর চোখের অতলে খুঁজি একটু শান্তির আশ্রয়
খুঁজি মহান মানবতার তীব্র স্পর্শের আঁচল।
তোর চোখের পাতায় ঝরে পড়ে নোনা অনুভূতি গুলি
আষাঢ়ের বিনিদ্র রজনীর টাপুর টুপুর শব্দের তালে
প্রতিটি ফোঁটায় আমি খুঁজে পাই রাইকিশোরীর বেদনা
নতুন করে পাই তোকে অভিনব রূপে।
তোর আঁখির নীলমণি সাগরে আমি ভাষাই তরণী
ভয় হয় মহা প্রলয়ের মহা তুফানে দিক হারাই যদি
যদি আছড়ে পড়ি তোর বালুকা বিহীন দুটি নয়ন ও পাতে
ভয় হয় যদি কোনো অপঘাত ঘটে।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
                 নিরুপম শর্মা চৌধুরী


পাথর  

 ছুঁয়ে দেখার ইচ্ছেটুকু 
        অযত্নের চারাগাছের মতো
                     সেই কবেই গেছে মরে...
 পিরামিড যেভাবে 
                        শুধু সাক্ষ্য বহন করে!
 জানি, দূরে গেলে মানুষও
    অবলীলায় দিব্যি পাথর হয়ে যায়...
 আর কিছু হোক বা না-হোক,
            হৃদপিণ্ডটা শুকিয়ে গিয়ে
                        তিলে তিলে মরে যায়!
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
                   রাজেশ কান্তি দাশ
                        ( বাংলাদেশ )


জল ও বৃষ্টি কাহন


রোজ জলের গল্প বলতে বলতে সমুদ্রে যাই;
আছি শ্রাবণের এক জলদ্বীপে, জলের প্রহরায়
আমার চারপাশে জল আর জল, জল আর জল
জলসাগর থেকে প্রতি রাতে জলের চিঠি পাই।
সে তার হৃদয়ের কথা আমাকে চিঠি লিখে জানায়
আমার ওপরে, মাথার ওপরে, মেঘে ভাসে জল
এর পোয়াতি শিসে শিসে আমার চোখে ভাসে জল,
শিউলি ফুলের ঠোঁটের মতো কুুুুয়াশা ভেজা শিসজল!
যখন প্রবাহিত হয় মাতাল বাতাস
তখন ঢেউ নাচে জলে, পতনোন্মুখ বৃষ্টি নাচে জলে, নীল রঙা জলে
উত্তাল জলে বয় নীলের প্রহর
জলে জলে নীলে নীলে গড়ে উঠে যেন জলাকাশ।
আমার বহু দিনের চেনা
গত আষাঢ়ে সমুদ্রলিপির কাছে জলের গল্প শুনেছি অনেক...
জলবিলাসে ভরে উঠেছে আমার হৃদয়।
বৃষ্টি, রোজ-ই তোমার পড়ন্ত শব্দ শুনি, কিন্তু চিঠি পাই না;
আমার আফসোস---
জল তার হৃদয়ের কথা চিঠি লিখে জানালেও তুমি জানালে না...
তোমার বৃষ্টিসুখ মর্ত্যলোকে আমাকে আলোড়িত করে বারবার!
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
                      চিত্রা ভৌমিক
                         ( ভারত )

তোমায় 

অনেক বছর পর তোমার সাথে হঠাৎ দেখা 
রেলগাড়ির এক কামরায় 
একরকমই আছো দেখছি সুন্দর চেহারায় 
তুমি দেখছিলে আড়চোখে আমায় 
আমি বসেছিলাম তোমার উল্টোদিকে 
চোখ ছিল খোলা জানালায় 
তোমায় দেখা হৃদয়ে উত্তাল সাগরের লহরী 
চুপটি করে বসে অসহায় নিরুপায় 
অনেক স্মৃতি তোলপাড় করছিল 
মনের অবুঝ আঙিনায় 
বুকে চাপা কষ্ট চোখে জলের ধারা 
মুখ ঘুরিয়ে নিলাম লজ্জায় 
এতো ভালোবাসা দিয়ে যত্ন করেও হারালাম 
এই লেখা ছিল কপালটায় 
মনে মনে একা একা বিড়বিড় করছি 
কি ভুল করলাম জীবনটায় 
যথাস্থানে রেলগাড়িটা থেমে গেলো 
এদিক ওদিক খুঁজি তোমায় 
আবার তুমি চলে গেলে ফাঁকি দিয়ে 
আর দোষ দেবোনা তোমায় l
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

                 পূর্ণিমা বসু ( ভারত )

এভাবেও আনন্দ

আশি'তে আসিয়া,
যখন ঝুল বারান্দায়,
গ্রিলে মাথা ঠেকিয়া,
দুটিতে দাঁড়ায়ে।
দেখিয়া টবের গাছগুলোতে,
পাতা, কুঁড়ি ধারালো ঠোঁটে,
চড়ুই পাখি নিঃশব্দে,
কেটে ফেলে পালায় ফুরুৎ করে।
মনেতে বিব্রত আঁখিতে হাসিয়া,
বুঝি সে বোঝে বার্ধক্যের অসহায়তা।
ফোকলা গালে ঢালিয়া ঢালিয়া,
তাই তো চড়ুই এসে ভাঙে নীরবতা
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
                       অরিন্দম দাস
                           ( ভারত )  

পার্থসারথি

আজকাল কিছুই লিখি না

কেবল অবাক চোখের তারায় দেখি
জলমেখলায় ভাঙা বিদ‍্যুতে বিদ‍্যুতে

এখনও, এই বয়সেও
কি অনায়াস ভেসে উঠছো তুমি

জ্বলে উঠছো প্রতিটি সন্ধ্যায় রাখা
প্রদীপশিখায়...আর নীল আলেয়ার মতো

বেজে উঠছে, পুরোনো বাঁশিটি...
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
                 অতনু গড়াই ( ভারত )
বর
এ দেশের তেত্রিশ কোটি দেব দেবী
দুধ ঘি আপেল আঙুরে ব্রেকফার্স্ট সারেন;
শিশুরা ভোগে অ্যানিমিয়ায়
প্রতিদানে সহাস্যে বর দেন,
' সুখে থেকো'!

ধর্মনিরপেক্ষ

বেশ্যালয় গামী প্রতিটি লম্পটই ধর্মনিরপেক্ষ!

অহংকার

একমাত্র তালগাছই জানে
উচ্চতার অহংকার
কতো বড়ো মূর্খতা!

পার্থক্য

ঠাকুর আর কুকুর মধ্যে পার্থক্য
একটা চেয়ারের!

মুরগী

মানুষ হয় মানুষের হাতে
আবার মুরগী হয় মানুষের হাতেই।

যুবতী নারী

শুধুমাত্র বিশ্বামিত্র নয়;
অস্তাচলগামী সূর্যও জানে
যুবতী নারী কি জিনিস!

ঈশ্বর প্রেরিত দূত

গলা কাটার ভয় দেখলে
জল্লাদ কসাইকেও ঈশ্বর প্রেরিত দূত মানতে বাধ্য হোন
হতভাগ্য মানুষ।

মুল্যায়ন

কদর্য বলেই পরের বাচ্ছা মানুষ করেও
মহত হয় না কাক।

মীরজাফর

অস্ত্র না ধরেও পাল্টে দিলেন
ভারতবর্ষের ইতিহাস।

ক্ষমতা
লক্ষ কোটিগুন বড় সূর্যের ক্ষমতা নেই
সমগ্র পৃথিবীকে এক সঙ্গে
আলোকিত করবার ।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
               সৈয়দ শাকিলুর রহমান
                          ( ভারত )

হৃদয় ধর্ষণ

মেয়েটি শায়িত একা ফুলের সজ্জায়,
কপালে চন্দনে আঁকা মৃত্যুর সনদ,
একটি বছর আগের নিঠুর সন্ধ্যায়
মেয়েটির দেহ খায় পাপিষ্ঠ মরদ।
মনে তার বল ছিল দোষী সে তো নয়,
মাথা উঁচু ক'রে তাই দাঁড়ায় সে মেয়ে,
পঙ্গু সমাজ ক্ষণিক চুপ নাহি হয়,
মেয়েটার দিকে আসে অভিযোগ ধেয়ে।

সাজা হয় ধর্ষকের আদালত রায়ে
তবুও সমাজ দেয় খোঁচা বারে বারে।
ধর্ষিতা চাপরাস দলে যে মেয়ে দু'পায়ে,
সেই মেয়ে দীর্ণ হলো বেদনার ভারে।
সমাজের জারি নিত্য হৃদয় ধর্ষণ,
সইতে না পেরে মেয়ের নিজেকে হনন।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
        
 আধুনিক আমরা
                        -- মুকুল সরকার


আবাসনের অপরিসর ঘেরাটোপে

  একচিলতে রোদের যাওয়া আসা,

 কংক্রিট জঙ্গলের খোপে খোপে 

    পায়রা যুগলের ভালোবাসা I
 

অতিযান্ত্রিকতায় মানুষ আজ অমানুষ,

     জীবন হয়েছে গতিময়,

ভালোবাসার হাতছানি দিগন্তের ফানুস,

   মূল্যবোধ আজ পুতিগন্ধময় I


আকাশের রং আজ ধূসর

 নেই মোহময়ী চাঁদের হাসি,

হারিয়ে গেছে শৈশবের অবসর 

প্রিয়তমার সোহাগ বহুদিনের বাসি I


প্রকৃতি সদা বহমান নির্মল ছন্দে

নেই কৃত্তিমতার জটিল গুরুভার,

  চলো দাঁড়াই শ্যামলতা অলিন্দে 

 রচি জীবনের গান আরো একবার I
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
               Ends of 6th part 




        



No comments:

Post a Comment